Market
দেনার দায়ে জর্জরিত শ্রীলঙ্কা। প্রায় ৯৭ বিলিয়ন ডলারের দেনার দায়ে জড়িয়ে রয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটি। যার মধ্যে আবার ৫১ বিলিয়ন ডলারই নাকি বিদেশী উৎস থেকে নেওয়া। এছাড়াও আন্তর্জাতিক উৎস থেকেও প্রচুর ঋণ নিয়েছে দেশটি। আর ঠিক যে কারণে উত্তাল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে শ্রীলঙ্কায়। জিডিপি ঠেকেছে তলানিতে। মূল্যস্ফীতি বেড়ে পৌঁছেছে ৬৫ শতাংশে। বিদেশী মুদ্রার মজুত কমেছে ১৮০ কোটি ডলারে। ঋণের ভারে পঙ্গু হয়ে তাই আইএমএফ-এর দারস্থ হয়েছে শ্রীলঙ্কা।
২০০ থেকে ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার। আইএমএফ–এর কাছে ২০০ থেকে ৩০০ কোটি ডলার ঋণ চেয়েছে শ্রীলঙ্কা। তবে, আইএমএফ–এর তরফে ঋণ পাওয়া মুখের কথা নয়। অনেকটাই সময় লাগবে। আইএমএফ–এর টেকনিক্যাল টিমের এরমধ্যে শ্রীলঙ্কা যাওয়ার কথা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। খতিয়ে দেখবে শ্রীলঙ্কার বৈদেশিক ও অভ্যন্তরীণ ঋণ পরিস্থিতি। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পর বিশ্বব্যাঙ্কের সঙ্গে আলোচনা সারবে তারা। আর তারপরেই শ্রীলঙ্কার ঋণ পুনর্গঠন শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে।
হাম্বানটোটা বন্দর তৈরির জন্য চিনের কাছে গলা অবধি ঋণে ডুবে রয়েছে দেশটি। ঋণ শোধ করতে না পারায় বন্দর পরিচালনার দায়িত্ব ছেড়েছে চিনের হাতেই। এছাড়াও পশ্চিমের দেশগুলো থেকে প্রায় ৪৭ শতাংশ ঋণ নিয়েছে দেশটি। প্রসঙ্গত, গত এপ্রিল নাগাদ শ্রীলঙ্কা আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করে। এখন আবার নতুন ঋণ পেতে তৎপরতা শুরু করেছে সেদেশের সরকার। এখন আইএমএফ, শ্রীলঙ্কার পাশে দাঁড়ায় কিনা সেটাই দেখার।
বিজনেস প্রাইম নিউজ
জীবন হোক অর্থবহ