Daily
অনুশীলন শেষ। সফলভাবে সম্পন্ন হল বন্দে ভারত একপ্রেসের প্রথম ট্রায়াল রান। এবার পালা ফাইনাল ম্যাচের। সব ঠিক থাকলে হয়তো আগামী শুক্রবার ৩০ ডিসেম্বর, নববর্ষের ঠিক আগেই বাংলা সফর শুরু করবে বহু প্রতীক্ষিত বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। সোমবার দুপুর ১.৩৯ মিনিটে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে পৌঁছয় বন্দে ভারত এক্সপ্রেস।
উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের দূরত্ব প্রায় ৬০০ কিলোমিটার। রেল সূত্রে খবর, দ্রুতগ্রামি ট্রেন বন্দে ভারত সমতলের সঙ্গে পাহাড়কে জুড়বে আট ঘণ্টারও কম সময়। ট্রেনের গতিবেগ হবে ঘণ্টায় ১৩৫ কিলোমিটার। ডানকুনি থেকে খানা জংশনের মধ্যে এই গতি বজায় রাখা হবে। খানা জংশনের পর রেললাইনের অবস্থা বিশেষ ভালো নয় বলে স্পিড কমিয়ে আনা হবে গড়ে ৭২ কিলোমিটারের কাছাকাছি। আর কয়েকবছরের মধ্যেই নিউ জলপাইগুড়ি থেকে মালদা পর্যন্ত রেললাইন উন্নয়নের কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে ট্রেনের স্পিড আরও বাড়বে বলে জানিয়েছেন রেলের কর্মকর্তারা। অন্যদিকে উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে এই বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালু হওয়ায় খুশি উত্তরবঙ্গের মানুষজন
অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, প্যাসেঞ্জার সেফটি, ডোর লক অটোমেশন টেকনোলজি- সবটা মিলিয়ে একটা দুর্দান্ত ট্রেন উপহার পেতে চলেছে বঙ্গবাসী। আর এই ট্রেন বাণিজ্যিকভাবে চালু হয়ে গেলে উত্তরবঙ্গের পর্যটনের পাশাপাশি শিল্প এবং বাণিজ্যেও যে গতি আসবে, সে আশা করাই যায়। পাশাপাশি এই প্রোজেক্ট বিনিয়োগকারীদেরও উৎসাহিত করবে বলে আশাবাদী রেলের কর্মকর্তারা। প্রসঙ্গত, এদিন নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে উপস্থিত ছিলেন, উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের কর্মকর্তারা।
অরূপ পোদ্দার
শিলিগুড়ি