Market
বি পি এন ডেস্কঃ ভারতীয় ফলের বাজারে আপেলের জনপ্রিয়তা সারা বছর জুড়েই থাকে। আপেলের চাহিদা সবসময় ভালো থাকায় দেশীয় বাজারে আপেলের জোগান রাখতে হয় একটানা। আমাদের দেশে আপেলের চাষ করা হয় সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে। তারপর শীতের হাওয়ায় আপেলের রমরমা পড়ে যায় গোটা বাজারে। এরপর অবশ্য আপেলের সময় চলে গেলে তখন আমদানির ওপর ভরসা রাখতে হয় ভারতীয় বাজারকে। ভারতে আপেল রপ্তানির মুখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে ওয়াশিংটন। মার্কিন মুলুকের এই অঞ্চলের আপেল হয় লোভনীয়। গোটা দেশ জুড়ে ওয়াশিংটনের আপেলের জনপ্রিয়তা থাকে সবসময়। কিন্তু গত ১ মার্চ থেকে ওয়াশিংটনের আপেল বিক্রিতে ভাটা নামল দেশীয় বাজারে।
ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথোরিটি অফ ইন্ডিয়া আমদানির ওপর এনেছে কিছু শর্ত। যার দরুন থমকে যাবার মুখে দেশীয় বাজারে মার্কিনী আপেলের চাহিদা। কারণ হিসেবে উঠে এসেছে ফল বা খাদ্য শস্যের জিনগত পরিবর্তন। এফএসএসএআইএর মতে, ফল বা খাদ্যশস্যে জিনগত পরিবর্তন করা হলে আমদানির ওপর আসতে পারে নিষেধাজ্ঞা। ভারতের মতে প্রত্যেকটি দেশই এই নিষেধাজ্ঞাকে মেনে নিয়েছে, একমাত্র আমেরিকা ছাড়া। যে কারণে থেমে যাচ্ছে দেশীয় বাজারে ওয়াশিংটনের ফল রপ্তানি। মার্কিন মুলুকের এই আপেলের চাহিদা মূলত তৈরি হয় এপ্রিল-জুলাই মাসে। অতিমারির কারণে গত সেপ্টেম্বর থেকে এই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আমদানিতে ভাটা নামে ৬৩%। এদিকে কোভিডের ধাক্কায় এই বছর আপেলের চাষও হয়েছে ১২% কম। ভারত প্রতি বছর ২ লক্ষ টন আপেল আমদানি করে ১২০-১৫০ টাকা কেজিতে। মার্কিন মুলুকের আপেল আমদানি ব্যবসার জাঁতাকলে পড়ে যাওয়ার দরুন আদৌ কি দেশীয় বাজারে ঘাটতি হবে? লক্ষ্য থাকবে সেদিকেই।।
ব্যুরো রিপোর্ট, বিজনেস প্রাইম নিউজ