Market
বি পি এন ডেস্ক: অতিমারি আয়ের দরজা বন্ধ করে দিয়েছিল এক বছর আগে। গোটা দেশ কার্যত স্তব্ধ হয়ে যাবার কারণে সংকীর্ণ হয় কাজের পরিসর। বেকারত্বের গ্রাফ ওপরের দিকে উঠতে থাকে দ্রুত। কর্মসংস্থানের আশার আলোয় নেমে আসে অন্ধকার। বহু মানুষের জীবন একরকম বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে।
আনলক পর্ব শুরু হবার পরে দেশের অর্থনীতি ফের ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে। সময় যত গড়িয়েছে, অর্থনীতির মেরুদণ্ড ততই সোজা হতে শুরু করেছে। মানুষেরা আয়ের উৎস খুঁজে ফের নেমেছে করোনার ভীতি সরিয়ে। তার ফলে বেকারত্ব হ্রাস পেয়েছে ঠিকই, কিন্তু আশঙ্কার মেঘ কাটে নি এখনও। কারণ কর্মসংস্থানের পথ যে এখনও কিছুটা শিথিল। সময়ের সঙ্গে বেড়ে তাল মিলিয়ে খোলে নি সব অফিসের দরজা। পরিসংখ্যান বলছে, গত বছরে মার্চ মাসে বেকারত্ব ছুঁয়েছিল ৮.৭৫%। এই বছর ফেব্রুয়ারিতে শতাংশের হিসেবে কমে দাঁড়িয়েছে ৬.৯%-এ। যদিও বেকারত্বের এইটুকু পতনে দেশের অর্থনীতি মজবুত হওয়া বেশ কঠিন। ইতিমধ্যে করোনাও দ্বিতীয়বারের জন্য থাবা বসাতে শুরু করেছে। ফের লক ডাউন বা অর্থনীতির পরিস্থিতি তেমন একটা ক্ষতিগ্রস্ত না হলে কাজের পরিধি আরও চওড়া হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যতক্ষণ না অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোকে নিশ্চিত করা যাচ্ছে, ততদিন এই উদ্বেগ যাওয়ার নয়।।