Market

সেপ্টেম্বরে খুচরো বাজারের তুলনায় পাইকারি বাজারে কমল মূল্যবৃদ্ধি। মূল্যবৃদ্ধির হার নেমে দাঁড়িয়েছে ১০.৭০ শতাংশে। সাধারণভাবে এটি স্বস্থির সংবাদ মনে হলেও বাস্তবটা কিন্তু সম্পূর্ণ উল্টো। শুক্রবার কেন্দ্রের একটি পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে গত দেড় বছর ধরে নাকি পাইকারি মূল্যবৃদ্ধি একবারের জন্যও ১০ শতাংশের নীচে নামেনি। আর এতে করেই দুশ্চিন্তা বাসা বেঁধেছে সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশের উপর।
পাইকারি বাজারে মূল্যবৃদ্ধি কিছুটা হ্রাস পাওয়ার ফলে তার প্রভাব পড়বে খুচরো বাজারেও। অনেকাংশের দাবি, প্রতক্ষ্যভাবে এর প্রভাব সাধারণ মানুষের উপর না পড়লেও, খুচরো বাজারে এর প্রভাব কিছুটা হলেও লক্ষ্য করা যাবে। যদিও এখনও পর্যন্ত খাদ্যপণ্যের দাম আগের মাসের চাইতে খুব বেশি কমেনি। উপরন্তু দুধ ও বিভিন্ন ধরনের আনাজের ক্ষেত্রে দাম আরও বেড়েছে। অপরদিকে সরকারি সুত্র বলছে, পাইকারি বাজারে মূল্যবৃদ্ধির হার নিম্নমুখী হওয়ার অন্যতম কারণ হল খাদ্যপণ্য, জ্বালানি ও শিল্পে উৎপাদিত পণ্যের দাম কমা।
আর্থিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পাইকারি মূল্যবৃদ্ধি ৮-৯ শতাংশের নীচে যতদিন না নামছে, ততদিন পর্যন্ত খুচরো বাজারে মূল্যবৃদ্ধি ৬ শতাংশের নীচে আসা সম্ভব নয়। কিন্তু এখানেই রয়েছে এক উদ্বেগজনক ব্যাপার। অর্থনীতিবিদদের একাংশ মনে করছেন, সামনেই শীতের ফসল ওঠার সময়। তাই যারা পণ্য মজুত করেন তারা এখন থেকেই নিজেদের গুদাম খালি করতে পুরনো ফসল বাজারে ছেড়ে দিচ্ছে। যার ফলে বাজারে বেড়েছে জোগান। স্বাভাবিকভাবেই এই স্বস্থি বেশিদিনের নয় বলে মনে করছেন তারা।
বিজনেজ প্রাইম নিউজ
জীবন হোক অর্থবহ