Market

দেশের বাজারে মূল্যবৃদ্ধিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে চালের পর এবার চিনি রপ্তানিতেও নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ করতে চলেছে কেন্দ্র। আগামী অক্টোবর থেকেই জারি হবে এই প্রক্রিয়া। গত সাত বছরে এই প্রথম বার চিনি রপ্তানি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।
সাধারণত উৎপাদন উদ্বৃত্ত হলে তখনই রপ্তানি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু এই বছর পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় আখের উৎপাদন অনেকটাই কম হয়েছে। ভারতে সবথেকে বেশি আখ উৎপাদন হয় মহারাষ্ট্র এবং কর্ণাটকে। দেশের মোট চিনি উৎপাদনের অর্ধেকের বেশি এই দুই রাজ্যেই হয়। কিন্তু এই বছর এই দুই রাজ্যে গড় বৃষ্টিপাতের থেকে ৫০% কম বৃষ্টি হয়েছে। খুব স্বাভাবিকভাবেই এর প্রভাব পড়বে আখ উৎপাদনে। এই একই কারণে আগামী মরশুমে আখের বপনও অনেকটাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। চিনি উৎপাদন হ্রাস পেতেই কেন্দ্র দেশের মধ্যেই চিনির চাহিদা মেটানো এবং ইথানল তৈরির ওপরই বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। এই বছরে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের চিনি কারখানাগুলোকে ৬.১ মিলিওন টন চিনি রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে ভারত যা গত মরশুমে ছিল ১১.১ মিলিয়ন টন।
যেহেতু বিশ্বের অন্যতম বড় চিনি সরবরাহকারী দেশ ভারত তাই চিনি রপ্তানিতে ভারতের এই নিষেধাজ্ঞার প্রভাব বিশ্বের খাদ্যবাজারে ওপর পড়বে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
বিজনেস প্রাইম নিউজ
জীবন হোক অর্থবহ