Market
বি পি এন ডেস্ক: নির্বাচন ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে। সরকারি সূত্রে এই সময়েই তেলের দাম একটু কমার ইঙ্গিত পাওয়া গেছিল আগে থেকে। বাস্তবে হলও তাই। টানা ২৪ দিন তেলের দাম এক জায়গায় থেমে থাকার পর বুধবার ১৭ পয়সা এবং বৃহস্পতিবার ২০ পয়সা কমে দুই জ্বালানির দাম। দু’দিনে ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশনের পাম্পে পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম ৩৭ পয়সা কমে দাঁড়ায় ৯০.৯৮ টাকা এবং ৮৩.৯৮ টাকা।
তেলের দাম যখন একনাগাড়ে বাড়তে বাড়তে রেকর্ড ছুঁয়েছিল তখন সাধারণ মানুষের প্রশ্ন ছিল, কবে এই মূল্যবৃদ্ধির হাত থেকে রেহাই পাওয়া যাবে? কারণ তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় আগুন দাম চরছিল পণ্যের। সংসার চালাতে হিমসিম খাচ্ছিলেন মাঝারি এবং নিম্ন আয়ের মানুষেরা। কেন্দ্রীয় সরকার অবশ্য দাম কমানো নিয়ে তেমন কোন প্রতিক্রিয়া দেখায় নি। সরকার সেই দায় চাপিয়েছিল বিশ্বে অশোধিত তেলের দাম বাড়ার ওপর। এদিকে বিরোধীরা সুর চড়িয়েছিল কেন্দ্র উৎপাদন শুল্ক কিছুটা কমিয়ে সাধারণ মানুষকে রেহাই দিতেই পারে। কিন্তু অর্থমন্ত্রী থেকে তেলমন্ত্রী প্রত্যেকেই নীরবতা পালন করেছেন। যদিও সরকারি তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, পেট্রোল এবং ডিজেল থেকে গত ছ’বছরে কেন্দ্রের কর আয় লাফিয়ে বেড়ে হয়েছে ৩০০%।
তেলের দাম কিছুটা কমায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেও আতঙ্ক রয়েই গেছে। কারণ সংশ্লিষ্ট মহল দাবি করেছে, এইটুকু মূল্য পতন স্বস্তির হত যদি না নির্বাচন দরজায় টোকা মারত। মানে, তাঁদের বক্তব্য, নির্বাচনের আগে তেলের দাম কমে এলেও ভোটপর্ব মিটলেই ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে জ্বালানি মূল্য। তাহলে উপায়? অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের দাবি, জিএসটি পরিষদের পরবর্তী বৈঠকে পেট্রোল-ডিজেলকে জিএসটিতে আনার ভাবনাচিন্তা করা হোক। রাজ্যগুলি এগিয়ে এলে তিনি হাসিমুখে বসতে পারেন আলোচনায়।