Market

গ্রামে না-হয় ওঠানামা করে বেকারত্বের গ্রাফ। কারণ গ্রামে কর্মসংস্থানের ছবিটা অধিকাংশ সময় থাকে কৃষি ভিত্তিক। তাই মরশুমে তাঁরা কৃষিকাজ করেন। বাকি সময়ে হাতে থাকে ১০০ দিনের কাজ। কিন্তু শহরে কেন বেকারত্ব চোখ রাঙাবে? অনেকেই বলছেন, শহরে বেকারত্ব আসার অন্যতম কারণ শিল্পের অভাব। করোনার কামড় এখন দগদগে ঘায়ের মতন বসে রয়েছে। চাহিদা অভাব, কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি- সব মিলিয়ে শহরের ছবিটা যেন আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে। সেই কারণেই কি শহরে আনএমপ্লয়মেন্টের রেট ১০ শতাংশ পার করল?
অনেকেই বলে থাকেন, শহরে অভাব দেখা দিয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্র থেকে বিভিন্ন আর্থিক পরিষেবা দেওয়ার মত সেক্টরগুলোর। যে’কটা রয়েছে, সেখানে দক্ষ কর্মীদের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। আর যে-কারণে চাকরির অভাব প্রকট হচ্ছে অদক্ষ কর্মী বা কম পটু কর্মীদের জন্য। অনেকেই চলে যেতে চাইছেন, শহরের বাইরে স্থায়ী কাজের খোঁজ লাগাচ্ছেন তারা। থাকতে চাইছেন না শহরে। সিএমআইই-র দেওয়া তথ্য বলছে, শহরে বেকারত্ব ছাড়িয়ে গিয়েছে ১০ শতাংশ। বিষয়টা তো অ্যালারমিং বটেই। সাধারণ মানুষের হাতে পুঁজি কমছে। চাকরির প্রতি নির্ভরশীলতা বাড়ছে। কিন্তু উপযুক্ত চাকরির অভাব যেন শহুরে মানুষদের ঠেলে দিচ্ছে দূরে। ভাবুন তো, একদিকে নিত্য প্রয়োজনীয় সব জিনিসের দাম বাড়ছে, অন্যদিকে বাড়ছে বেকারত্বের হার। কেন্দ্র থেকে রাজ্য- সরকারের কথা মতন দেশ জুড়ে যখন শিল্পের চাকা আবারও ভালোভাবে ঘুরতে শুরু করেছে, তখন কিন্তু এই প্রশ্নটা আবারও উঠে আসছে, তাহলে কি সত্যিই বেকারত্ব কমানোর মতন পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি? কোনটা ঠিক? কোনটা ভুল? কোথায় গিয়ে দাঁড়াবেন অদক্ষ বা কম দক্ষ কর্মীরা? প্রশ্নটা রইল আমাদের থেকে। আপনাদের মতামত জানান, আমাদের কমেন্ট বক্সে।
বিজনেস প্রাইম নিউজ
জীবন হোক অর্থবহ