Market
কমল টাকা, বাড়ল ডলার। এই সপ্তাহে সোম থেকে বৃহস্পতি- টানা চার দিন টাকার পতন দেখল দেশের মানুষ। যা আর্থিক স্থিরতার মধ্যেও আবার তৈরি করে দিল সংশয়। ভাইরাসের দ্বিতীয় ঝড় আর্থিক বৃদ্ধিকে কাবু করতে পারবে না বলে জানিয়েছিল আত্মবিশ্বাসী অর্থ মন্ত্রক। তার জন্য সব রকমের পথ খোলা রেখে একরকম চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিল ঘাতক ভাইরাসকে। নতুন অর্থবর্ষে ঘোষণা করেছিল ঋণনীতির। কিন্তু আবারও দেখা গেল অনিশ্চয়তা।
সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার একটানা টাকার দাম কমল। আর ডলারের দাম বাড়ল ১৪৬ পয়সা। মানে, এক ডলারের দাম দাঁড়াল ভারতীয় মুদ্রায় ৭৪ টাকা ৫৮ পয়সা। এখন প্রশ্ন উঠছে, যখন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে রীতিমত মাঠে ময়দানে নেমে পড়েছে, বাজারে পর্যাপ্ত নগদ জোগানের ব্যবস্থা করবার জন্য প্রস্তুত তারপরেও কেন টাকার পতন? সংশ্লিষ্টমহলের দাবি, করোনা যেভাবে ঝড়ের গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে তাতে অর্থনীতিতে আবারও কিছুটা ছন্দপতনের আশঙ্কা করছে বিনিয়োগকারীরা। তাই একটু ঝুঁকিপূর্ণ লগ্নিতে পুঁজি না ঢেলে বরং তুলে নিচ্ছেন।
ডলারের দাম বাড়ায় প্রভাব পড়তে পারে দেশের আর্থিক কাঠামোয়। প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়বে অশোধিত তেল আমদানিতে। একেই তেলের দামে বিপর্যস্ত আমজনতা। এরপর আবারও যদি মূল্যবৃদ্ধি হয়, তাহলে সরকারের সামনে অনেক প্রশ্ন তৈরি হবে। আরও অসন্তোষ জমা হবে মানুষের মধ্যে। একইভাবে দাম বাড়বে সোনাতেও। এককথায় মুশকিলে পড়বেন আমদানিকারীরা।
ব্যুরো রিপোর্ট