Market
আচমকা এসে পড়া করোনা ভাইরাস দেশের বৃদ্ধিকে থামিয়ে তো দিয়েছেই, অর্থনীতিকে টেনে নিয়ে গেছে আরও পেছনে। শিল্প থেকে বাণিজ্য- সবজায়গায় আর্থিক ক্ষতিকে সামাল দিতে গিয়ে বেসামাল হয়ে পড়ে কেন্দ্রীয় সরকার। তারপর, পরিস্থিতির উন্নতি হলে কেন্দ্র উঠেপড়ে লাগে, বৃদ্ধির চাকা আরও দ্রুত কিভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। রিজার্ভ ব্যাংক বৃদ্ধির পথকে খোলা রাখার জন্য কেন্দ্র সহ রাজ্যকে নগদ জোগানের পথ মসৃণ করার চেষ্টা করেছে। যে কারণে, বিশ্ব ব্যাংক থেকে বিভিন্ন অর্থনৈতিক উপদেষ্টা জানায়, এই বছর ভারতে আর্থিক বৃদ্ধি হবে ১০-১২%। কিন্তু অর্থনিতিবিদদের একাংশ বলছেন অন্য কথা। তাঁদের মতে, যেভাবে দেশ উৎপাদনে ধাক্কা খেয়েছে, তাকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে আরও বেশ কিছু বছর অপেক্ষা করতে হবে।
অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, কেন্দ্র যে বৃদ্ধির কথা বলছে, শতাংশের হিসেবে সেটা অনেকটা হলেও তা গতবছরের সঙ্কোচনের নিরিখে। এদিকে করোনা আবার ঝড়ের গতিতে বাড়তে থাকায় তার প্রভাবও পড়তে পারে অর্থনীতিতে। ইতিমধ্যে কেন্দ্র জানিয়ে দিয়েছে, সম্পূর্ণ লকডাউনের কোন সম্ভাবনা নেই। প্রতিষেধকও অর্থনীতির পালে হাওয়া দেবে। কিন্তু আঞ্চলিক লকডাউন বা কঠোর বিধিনিষেধও যে অর্থনীতিকে ধাক্কা দেবে না, তার গ্যারান্টি কোথায়? আর্থিক বৃদ্ধির পাশাপাশি বেকারত্ব বর্তমানে চ্যালেঞ্জিং বিষয়। তাই বেকারত্বকে যেমন আটকাতে হবে, তেমনই শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যের দিকেও কড়া নজরদারি রাখতে হবে কেন্দ্রের। আভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধির দিকেও নজর দিতে হবে। সব ঠিকক থাকলে তবেই স্থায়ী হবে দেশের আর্থিক বৃদ্ধি।
ব্যুরো রিপোর্ট