Story

কথায় আছে, সবুরে মেওয়া ফলে। বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিগত ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করছেন বাঁকুড়া ছাতনা ব্লকের দলপুর শ্রী শ্রী জ্ঞানানন্দ সরস্বতী আশ্রমের মাধবানন্দ সরস্বতী এবং নদীয়া জেলার প্রগতিশীল কৃষক নিমাই মন্ডল। যাদের কাছে গেলে নিমশেই খুঁজে পাওয়া যায় বাংলার হারিয়ে যাওয়া সুগন্ধি ধানের সম্ভার। বিলুপ্তপ্রায় ধানকে সংরক্ষন করা এবং সেগুলো চাষ করা। বিধানচন্দ্র কৃষিবিশ্ববিদ্যালয়ের পরামর্শে তারা আজও ধরে রেখেছেন বাংলার হারিয়ে যাওয়া জৌলুষ। তাদের এতদিনের কষ্ট এবার বোধ হয় সঠিক মূল্যায়ন হল। উদ্ভিদ প্রজাতি সুরক্ষা গোষ্ঠী পুরস্কার ও উদ্ভিদ প্রজাতি সুরক্ষা কৃষক সম্মান পেলেন বাংলার বাঁকুড়া ছাতনা ব্লকের দলপুর শ্রী শ্রী জ্ঞানানন্দ সরস্বতী আশ্রম এবং নদীয়ার হাঁসখালির কৃষক নিমাই মন্ডল।
কৃষিনির্ভর অর্থনীতির উন্নয়নে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। বাংলার কৃষকদের সঠিক পরামর্শ দেওয়া, পর্যবেক্ষণ করার পাশাপাশি চলে তাদের গবেষণাও। কৃষিকে যা একটা অন্য মাত্রা দিয়েছে। বাংলার কৃষকদের দিশা দেখিয়েছে যার হাতে গরম প্রমাণ জ্ঞানানন্দ সরস্বতী আশ্রম এবং কৃষক নিমাই মণ্ডল।
সঠিক পরামর্শদাতা না থাকলে অনেক কিছুই ব্রাত্য থেকে যায়। গ্রামবাংলার এই দুই মানুষের রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পাওয়ার পেছনে আরও দুই কারিগরের হাত ছিল। তাদের বিষয়ে না বললে, সবটা বলা হয় না।
সম্প্রতি বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্তদের নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক সারলেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। রয়েছে, আগামী দিনের আরও অনেক প্রকল্প। সেই বিষয়েও রইলো বিস্তর আলোচনা। আগামীদিনে গ্রামবাংলার কৃষকেরাও যে এই বিকল্প সুগন্ধি ধান চাষে আগ্রহ দেখাবেন এবং এগিয়ে আসবেন সে বিষয়ে আশাবাদী অধ্যাপকেরা।
সুব্রত সরকার
নদীয়া