Market
বি পি এন ডেস্কঃ ঘোর সংকটে হোটেল এবং রেস্তরাঁ। অতিমারির কবলে পড়ে চরম ক্ষতির মুখের দেশের আতিথেয়তা শিল্প। যার দরুন বিপদসীমায় দাঁড়িয়ে আছে দেশের ৫৩ হাজার হোটেল এবং ৫ লক্ষ রেস্তরাঁ। অন্যান্য বছরে প্রচুর বিদেশিরা পর্যটনের খাতিরে ভারতে আসেন। কিন্তু করোনা এবং লক ডাউনের কারণে বিদেশি আয় থেকে একেবারেই বঞ্চিত থেকেছে হোটেল ব্যবসা। ব্যবসার ঝাঁপও একেবারে বন্ধের মুখে পৌঁছে যাওয়ায় ক্ষতির অঙ্ক চরমে চলে যায়। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে যেখানে এই ব্যবসার অঙ্ক ছিল ১.৮২ লক্ষ কোটি টাকা। এই বছরে যে অঙ্কটা কমে দাঁড়াতে পারে ৩৬,৪০০ কোটি টাকায়। ক্ষতির বহর বেড়ে যাওয়ায় আশঙ্কার দিন গুনছেন এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ৩.৫ কোটি মানুষ। আর তাই কতকটা বাধ্য হয়েই ক্রেতাদের কাছে এবার সরাসরি আর্জি জানাচ্ছে ফেডারেশন অফ হোটেল অ্যান্ড রেস্তরাঁ অ্যাসোসিয়েশন্স অফ ইন্ডিয়া। এই সংগঠনের দাবি, কোভিডের ধাক্কায় বন্ধ হয়েছে বহু হোটেল এবং রেস্তরাঁ। যেকটি এখনও এই পরিস্থিতির সঙ্গে যুদ্ধ করে যাচ্ছে, তাদের বাঁচিয়ে রাখার জন্য আপাতত কিছুদিন অ্যাপের ভরসায় না থেকে সরাসরি যোগাযোগ করতে আহ্বান জানানো হচ্ছে ক্রেতাদের। অতিমারির প্রকোপ পেরিয়ে এলেও সংক্রমণের ভয় থাকার জন্য এখন ৫০% ধারণ ক্ষমতা নিয়ে চালু করতে পেরেছে হোটেল এবং রেস্তরাঁগুলি। এর ফলে আয়ও কমেছে অর্ধেক। তার ওপর অ্যাপ নির্ভর হলে সেক্ষেত্রে আয়ের ২০-৩০% কমিশন দিতে হয় সংশ্লিষ্ট অ্যাপকে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে ব্যবসার যা হাল তারপর অ্যাপকে কমিশন দিতে হলে ব্যবসার ক্ষতিও হবে অনেকটাই। এদিকে আতিথেয়তার শিল্প বাঁচাতে কেন্দ্রের কাছে আর্জি জানালেও কোনরকম সুরাহা পাওয়া যায় নি। তাই ‘গো ডিরেক্ট’ পদ্ধতি অবলম্বন করতে অনুরোধ হয়েছে ক্রেতাদের। যদিও এই পদ্ধতি গ্রহণ করলে আদৌ কি ক্ষতির হাত থেকে বাঁচবে আতিথেয়তা শিল্প? প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে।। ব্যুরো রিপোর্ট, বিজনেস প্রাইম নিউজ