Story
আলোয় সাজবে চারিদিক। ১৪ প্রদীপের আলো জ্বলবে বাড়িতে বাড়িতে। সামনেই যে আলোর উৎসব! না,না! নাওয়া-খাওয়ার সময় নেই এখন তাদের। কালিপুজোর আগে বাজারে সাপ্লাই দিতে হবে যে।
আজও মাটির কাজের কদর করে বাঙালি। তেরো পার্বণের জন্য বছরভোর মাটির কাজ লেগেই থাকে তাদের। এমনকি ১৪ প্রদীপ বলতে বাঙালি আজও মাটির প্রদীপই বোঝে। সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে স্পটলাইটে থাকতে আবার মাটির প্রদীপের গায়ে বসে রং। মাটির সেই রঙিন প্রদীপও বিক্রি করেন অনেকে। কাজেই চাহিদা বাড়ছে। আগামীতে আরও বাড়বে।
শিলিগুড়ির পালপাড়া। সংকট যেন পিছু ছাড়ে না। তবু, মুখ বুজে কাজ করছেন শিল্পীরা। মাটির প্রদীপের চাহিদা বাড়ছে যে। বাড়বে নাই বা কেন বলুন? বেস্ট ডিজাইনার প্রদীপটাকে রঙ্গলির মধ্যে রেখে বেস্ট ফটোটা আপলোড করতে হবে তো। এ যেন এক নিঃশব্দ লড়াই। অবশ্য, যে লড়াইয়ে প্রাণ হানি নেই, সম্মানহানি নেই, মানুষের ক্রিয়েটিভটির প্রকাশ আছে, একটা পেশার সঙ্গে যুক্ত কিছু মানুষের রোজগার বাড়াচ্ছে- সেই লড়াই চললে ক্ষতি কী? তবে সমস্যা একটাই।
তবে, মাটির প্রদীপ তৈরি করে পালেদের যা আয় হয়, তার চেয়ে ব্যয়ের অঙ্কটা অনেক বেশি। খাটনিটাও তো কম নয়। মেশিন এসেছে অনেক ঘরেই। কিন্তু তবুও, আয় বাড়ছে কোথায়! স্বাভাবিকভাবেই মুখ ফেরাচ্ছে নতুন প্রজন্ম।
অরূপ পোদ্দার
শিলিগুড়ি