Market
বি পি এন ডেস্ক: দোকান, বাজার খুলে যাবার পর থেকে ক্রেতাদের মধ্যে বাজারে গিয়ে কেনার চাহিদা ফিরতে শুরু করে। যার দরুন প্যাকেজড ফুড, বিস্কুট, ইনস্ট্যান্ট নুডলের মত খাদ্যপণ্যের বিক্রি ফিরে আসে স্বাভাবিক অবস্থায়। কিন্তু ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের জেরে আবারও যখন সংক্রমণের বহর চোখে পড়ছে, আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে তখন গত বছরের ছবিটাই যেন ফিরে আসছে আবার। ওয়ার্ক ফ্রম হোমের পাশাপাশি আমজনতার মধ্যেও এখন তৈরি হচ্ছে আতঙ্কের রেশ। যে কারণে বাজারে গিয়ে খাদ্যপণ্য কেনার মত আগ্রহ আর বিশেষ দেখা যাচ্ছে না। তাই আবারও চাহিদা বাড়ছে রেডি-টু-ইট এবং রেডি-টু-কুক প্যাকেজড ফুডের।
সম্প্রতি একটি তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, বিস্কুট, ইনস্ট্যান্ট নুডলের মত খাদ্যপণ্য জমা করছে ক্রেতারা। গত বছর এপ্রিল-জুনের ভরা লকডাউনে এই সকল খাবার রেকর্ড পরিমাণ বিক্রি হয়। ঠিক একই ছবি এবারেও। আঞ্চলিক লকডাউন বা কঠোর বিধি নিষেধকে মেনে নিয়েই আমজনতার হেঁশেলে আবারও জমছে প্যাকেট বন্দি খাবার। শতাংশের হিসেবে বিক্রি বৃদ্ধির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮০%। প্যাকেট মিল্কের বিক্রিও বেড়েছে ১৫০%। আর নজর কেড়েছে ফ্রোজেন ফুডের বিক্রি। শতাংশের হিসেবে ৫০০%।
দেশজুড়ে লকডাউন না হবারই আশ্বাস দিয়েছে কেন্দ্র। কারণ ফের যদি লক ডাউন করতে হয়, তাহলে একেবারেই থমকে যাবে অর্থনীতির চাকা। সুতরাং পরিস্থিতি বিচার করে স্থানীয় লকডাউন বা আঞ্চলিক লকডাউনেরই পক্ষপাতী মোদী সরকার। যদিও করোনার সংক্রমণ এতটাই বাড়ছে যে চিন্তার ভাঁজ পড়ছে দেশবাসীর কপালে। তাই বাজারে গিয়ে খাদ্যপণ্য কেনার মধ্যেও থেকে যাচ্ছে উদ্বেগ, আতঙ্ক। সংক্রমণ এড়াতে ই-কমার্সে ভরসা রাখছেন ক্রেতারা। যার দরুন আবারও বাজার বাড়ছে প্যাকেটবন্দি খাদ্যপণ্যের।