Market
বি পি এন ডেস্ক: তেলের দাম লাগামছাড়া হবার কারণে কেন্দ্র যখন সুরাহা পেতে উৎপাদন বৃদ্ধির আর্জি জানিয়েছিল, তখন সেই প্রস্তাব ধোপে টেঁকে নি ওপেকের কাছে। তাই এপ্রিল মাসেও উৎপাদন ছাঁটাইএর সিদ্ধান্তে বহাল থাকার জন্য ধাক্কা খেতে পারে ভারত, চিন, জাপান, কোরিয়ার মত দেশগুলি। এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করলেন তেলমন্ত্রী ধরমেন্দ্র প্রধান। এর ফলে দেশের অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করলেন তিনি। তেলমন্ত্রী সহ কেন্দ্রীয় সরকারের তাবড় নেতারা দেশে বেলাগাম তেলের দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে দায়ি করেছেন বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলের মূল্যবৃদ্ধিকে। পাশাপাশি তাঁদের তোপের মুখে পড়েছে রাজ্য ভ্যাট। কিন্তু বিরোধীদের দাবি, ২০১৪ সালে কংগ্রেস জমানায় ব্যারেল প্রতি তেলের দর ছিল ১০৮ ডলার। মোদী সরকারের সময়ে যে দাম অনেকটাই কমে দাঁড়িয়েছে ৬৯ ডলারে। তাহলে কেন্দ্র কেন সাধারণ মানুষকে সুরাহা দিতে দাম কমাচ্ছে না? এই প্রশ্নও উঠেছে। কেন্দ্রীয় নেতারা অবশ্য তার কোনরকম ব্যখ্যায় না গিয়ে উৎপাদন বৃদ্ধির আর্জি জানিয়েছিল। আর সেখানেও ধাক্কা খেল মোদী সরকার। সৌদি আরবের তেলমন্ত্রী আবদুল-আজিজ বিন সলমন বলেছেন, গত বছর এপ্রিল-মে মাসের সময় সস্তায় তেল কিনে মজুত রেখেছে ভারত। মূল্যবৃদ্ধির এমন ভয়ানক পরিস্থিতিতে মজুত তেলই কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। আর সেখানেই জমছে অনেক প্রশ্ন। বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, মজুত তেলের ভাণ্ডার কি ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে? নাহলে আমজনতার মুখের দিকে তাকিয়ে কেন মজুত তেল ব্যবহার করতে চাইছে না কেন্দ্র? সেই প্রশ্নেরও কোন উত্তর পাওয়া যায় নি কেন্দ্রের তরফে।