Daily

ন্যাশনাল মালটিডায়মেনশনাল পভার্টি ইনডেক্স, ২০২৩ এর রিপোর্ট অনুসারে পশ্চিমবঙ্গের সার্বিক দারিদ্র কমলেও এখনও বেশ কিছু ক্ষেত্রে এই রাজ্য অন্যদের থেকে কিছুটা পিছিয়ে। পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়াই দারিদ্র কমানোর ক্ষেত্রে সবথেকে বেশি উন্নতি করেছে।
রাষ্ট্রপুঞ্জের মতে ২০৩০ সালের মধ্যে জীবনযাত্রার মান উন্নত করার যে লক্ষ ঠিক করা হয়েছিল তা পূরণ করা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। কারণ কোভিড পরবর্তী কালে বেড়েছে অর্থনৈতিক বৈষম্য, বেড়েছে দারিদ্র। কিন্তু এর মধ্যেই নীতি নিয়োগের রিপোর্ট থেকে জানা গেছে যে, পশ্চিমবঙ্গে দারিদ্র নাকি ৯.৪১% কমে হয়েছে ১১.৮৯%।
অপুষ্টি,-কিশর-কিশোর মৃত্যু, মাতৃত্বকালিন স্বাস্থ পরিষেবা, শিক্ষা, স্কুলে হাজিরা, জ্বালানি, পানীয় জল, নিকাশি, বাড়ি, বিদ্যুৎ, ব্যাঙ্ক বা ডাকঘরে অ্যাকাউন্ট, অস্থাবর সম্পত্তি ইত্যাদি মাপকাঠির দিক দিয়ে বিচার করে দেখা হয় যে কত মানুষ এই সব পরিষেবা থেকে বঞ্ছিত। আর তা থেকেই বিচার করা হয় দারিদ্রের হার। পরিসংখ্যান অনুসারে-শিশু-কিশোর মৃত্যুর হার, মা দের জন্য স্বাস্থ পরিষেবার হার – এইসব ক্ষেত্রে আমাদের পশ্চিমবঙ্গ অনেকটা এগিয়ে থাকলেও অপুষ্টি, রান্নার গ্যাস ব্যবহার না করা,পাকা বাড়ি ও শৌচাগারের অভাব পশ্চিমবঙ্গ কে কিছুটা হলেও পিছিয়ে দিয়েছে। রাজ্যে এখনো বহু মানুষ রান্নার গ্যাসের বদলে কাঠ কয়লা ব্যবহার করেন, প্রায় এক তৃতীয়াংশ মানুষ অপুষ্টির শিকার, প্রতি ১০০ জনের মধ্যে শৌচাগার ও পাকা বাড়ি নেই যথাক্রমে ৩২ জনের এবং ৪৭ জনের। তাই পরিসংখ্যান অনুসারে পশ্চিমবঙ্গে দারিদ্র কমলেও কার্যকর ভাবে উন্নয়ন তখনি সম্ভব হবে যখন এই পিছিয়ে পড়া ক্ষেত্র গুলো থেকে আমাদের পশ্চিমবঙ্গ বেরিয়ে আসতে পারবে।
বিজনেস প্রাইম নিউজ
জীবন হোক অর্থবহ