Market

সত্যি সত্যিই হয়ত আজ জোছনাকে সামলে রাখার সময় এসেছে। অবাক হচ্ছেন তো? বিষয়টা একটু খোলসা করা যাক।
স্থায়ী চাকরির পাশাপাশি অতিরিক্ত উপার্জনের জন্য অন্য সংস্থায় চাকরি করে সেখান থেকেও বেতন নেওয়াকে বলা হয় মুনলাইট ইনকাম। করোনার সময় ওয়ার্ক ফ্রম হোম প্রথা চালু হবার পর থেকেই চাঁদনি আয় অর্থাৎ মুনলাইট ইনকাম এর প্রবণতা বেড়ে গেছে। এতে দু পক্ষেরই লাভ হচ্ছিল। একদিকে যেমন কর্মীর ও বাড়তি আয় হচ্ছিল আবার যারা এদের নিয়োগ করছিলেন তারাও লাভবান হচ্ছিলেন কারণ তাদের আর পুরো সময়ের জন্য কর্মী রাখতে হচ্ছিল না। অনেকেই কস্ট কাটিং এর সমস্যার কারণে পার্মানেন্ট কর্মীদের পিঙ্ক স্লিপ ধরিয়ে দিয়ে ভরসা রাখছিলেন এই মুনলাইটারদের ওপর।
এই পর্যন্ত কোন সমস্যা ছিল না। কিন্তু যারা ভাবছিলেন যে এই অতিরিক্ত আয় কারও চোখে পড়বে না, তাহলে আর শুধু শুধু ওই বাড়তি আয় আইটি রিটার্নে দেখানোর দরকার নেই, তাদের কিন্তু শিয়রে সঙ্ক্রা ন্তি। সিবিডিটি -র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে দেশের প্রায় ১১০০ জনকে তারা ইতিমধ্যেই নোটিশ পাঠিয়েছেন কারণ এদের আইটি রিটার্নে দেখানো উপার্জনের সঙ্গে ঐ বছর প্যান কার্ডে জমা টাকার পার্থক্য প্রায় ৫-১০ লক্ষ টাকা। কর কর্তৃপক্ষের এই শনাক্তকরণ সম্ভব হয়েছে কারণ বেশিরভাগ পেমেন্ট হয়েছিল অনলাইনে। তাই সাবধান হবার সময় এসেছে। না হলে যেকোনো মুহূর্তে আইটি ডিপার্টমেন্ট কড়া নাড়তে পারে আপনার দরজাতেও।
বিজনেস প্রাইম নিউজ
জীবন হোক অর্থবহ