Story
লঙ্কা চাষের কী জ্বালা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন দক্ষিণ দিনাজপুরের লঙ্কা চাষিরা। অতিমারি পরিস্থিতিতে কৃষিক্ষেত্রে প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন নীতি আয়োগ সদস্য রমেশ চাঁদ। কিন্তু বাস্তব ছবিটা যে একেবারে ভিন্ন তা আবারও স্পষ্ট হল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার লঙ্কা চাষিদের বক্তব্যে।
আবহাওয়ার ওপর মানুষের হাত না থাকলেও কৃষকদের মূল্য নির্ধারণে মানুষেরই হাত থাকে। কিন্তু মারণ ভাইরাসের ধাক্কায় রীতিমত হোঁচট খাচ্ছেন লঙ্কা চাষিরা। কারণ ন্যায্য দামই পাচ্ছেন না তাঁরা। ফলে সংকটকালে একেবারে খাদের ধারে এসে দাঁড়িয়েছেন তাঁরা।
অতিমারি আবহে রাজ্য সরকারের কৃষকবন্ধু প্রকল্প নিঃসন্দেহে স্বস্তির বার্তা বয়ে আনত। কিন্তু মেঘ ঘনিয়েছে যে সেখানেও। চাষিদের বক্তব্য, চাষের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার সাহায্য করছে ঠিকই কিন্তু পাচ্ছেন না ন্যায্য দাম। এখন, পরিশ্রম এবং অর্থ দুইই জলাঞ্জলি দিতে হচ্ছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তপন ব্লকের লঙ্কা চাষিদের। তাই, সরকারি সাহায্যের দিকেই এখন তাঁরা তাকিয়ে রয়েছেন।
শিব শঙ্কর চ্যাটার্জী, দক্ষিণ দিনাজপুর