Story
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স- যার জন্য রীতিমত রাতের ঘুম উড়েছে সাধারণ মানুষের। বিশেষত টেক কম্পানিগুলোতে কর্মরত কর্মীদের এখন শিরে সংক্রান্তি। অনেকেবলেন, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নাকি ডিজিটাল থ্রেট। সত্যিই কী তাই? ডিজিটাল ইন্ডিয়াকে প্রমোট করতে এর গুরুত্ব কতটা? সেই বিষয়েই একপ্রস্থ আলোচনা সারতে সম্প্রতি কোলকাতার এক পাঁচতারা হোটেলে একত্রিত হয়েছিলেন বিশ্বের নামজাদা টেকনোক্র্যাটসরা।
শহর কোলকাতায় ৫ বছর পূরণ করল বিশ্বের সমস্ত টেকনোক্র্যাটসদের সবচেয়ে বড়ো অর্গানাইজেশন সিআইও ক্লাব। আর সেই উপলখ্যেই শহরের এবং গোটা ভারতবর্ষের তথ্য প্রযুক্তি এক্সপার্টরা একত্রিত হন এদিন। অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল ডিজিটাল ইন্ডিয়ার কথা মাথায় রেখে এআই নিয়ে সকলকে সচেতন করা এবং এআই-এর বিষয়ে সকলের কাছে সঠিক ইনফরমেশন পৌঁছে দেওয়া।
ভারত এবং মধ্যপ্রাচ্যের যৌথ প্রচেষ্টায় গড়ে উঠেছে এই সিআইও ক্লাব। চিফ ইনফরমেশন অফিসার এবং চিফ ডিজিটাল অফিসারদের মিলিত প্রচেষ্টায় ২০০৮ সালে মুম্বাই থেকে পথ চলা শুরু করে সিআইও ক্লাব। যারা আইটি ইন্ডাস্ট্রিতে ডিম্যান্ড তৈরি করা থেকে ডিম্যান্ড ফুলফিল- সমস্তটাই করে থাকে। শুধুমাত্র ভারতেই ৩০ জন থেকে বেড়ে আজ সেই ক্লাবের সদস্য সংখ্যা ১৬০০। ইন্ডাস্ট্রিয়াল এক্সপার্টদের থেকে ট্রেনিং নিয়ে আগামী প্রজন্মকে কীভাবে তৈরি করা যায়, এদিন এই নিয়েও বিস্তর আলোচনা করা হয়।
ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন, সাইবার সিকিউরিটি এবং এআই-এর অ্যাডভান্সমেন্টের ওপর বিশেষ নজর দেওয়া হয় এদিনের ইভেন্টে। এছাড়াও সাম্প্রতিক টেকনিক্যাল ট্রেন্ড এবং আগামীদিনে তার ব্যবসায়িক সম্প্রসারণ সম্বন্ধে এদিনের অনুষ্ঠানে বিস্তর আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন তথ্য-প্রযুক্তি ও ইলেক্ট্রনিক্স মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রায় ১৫০-রও বেশি সিআইও। উপস্থিত ছিলেন পিডব্লিউসি, মাইক্রোসফট, ক্যানন সহ অনান্য আইটি কোম্পানির প্রতিনিধিরা।
সুব্রত সরকার
বিজনেস প্রাইম নিউজ