Market
সংক্রমণ ঠেকানোর জন্য প্রয়োজন কিসের? ভ্যাকসিন নাকি পাতিলেবু? অনেকেই বলছেন, প্রতিষেধক তো ঠিকই আছে। কিন্তু প্রতিদিন ভাতপাতে একটি করে পাতিলেবু শরীরকে অনেকটাই রক্ষা করবে। তৈরি করবে প্রচুর অ্যান্টিবডি। ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।
এই ধারণাটা শুধু একটি জায়গায় নয়। ছড়িয়ে পড়ছে গোটা শহরে, ঝোড়ো গতিতে। আর তারই জেরে শহরবাসীর মধ্যে তুমুল চাহিদা বেড়েছে পাতিলেবুর। ফলে, দামও বাড়ছে হু হু করে। আর তাতেই এখন রীতিমত হতবাক মহানগরের বাসিন্দারা। কারণ, পাতিলেবুর দাম যেহারে বাড়ছে, তা কস্মিনকালেও কেউ ভাবতে পারেনি।
গ্রীষ্মকালের গরমে পাতিলেবুর চাহিদা এবং দাম দুটোই কমবেশি প্রতিবছরই বাড়ে। কিন্তু গত বছর ভাইরাস হানা দেবার পর থেকেই সাধারণ মানুষ ভরসা রাখতে শুরু করেছেন পাতিলেবুর ওপরেই। ফলে দামও চড়ছে পাতিলেবুর। রাজ্যের বেশ কিছু জেলায় পাতিলেবু বিক্রি হচ্ছে জোড়া ১৫ টাকায়। আগে যে লেবুর দাম ছিল ২ টাকা করে, আজ সেই লেবুর দাম ছুঁয়েছে সাড়ে ৭ টাকা!
মূল্যবৃদ্ধির দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে, চাহিদা অনুযায়ী জোগানে ভাটা। ফলে এক ব্যপক তফাৎ তৈরি হচ্ছে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য মানুষ যেমন পাতে পাতিলেবুকে চাইছে, তেমনি জোগানে ঘাটতি থাকায় দামও বাড়ছে সেইভাবে। বিক্রেতারা বলছেন, চাহিদা মেটাতে না পারলে আরও দাম বাড়তে পারে পাতিলেবুর।
ব্যুরো রিপোর্ট