Market
বি পি এন ডেস্কঃ ব্যাংক কর্মচারীদের পথেই এবার বিমা সংস্থাগুলি। আজ নিয়ে দুদিন লাগাতার ধর্মঘটের পথে। দাবী একটাই যেকোনো মূল্যে রুকতে হবে ব্যাংকের মতো বীমা ক্ষেত্রে বেসরকারি বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত। সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন রীতিমতো সাংবাদিক বৈঠক ডেকে কর্মচারীদের আশ্বস্ত করলেও চিঁড়ে কিন্তু মোটেও ভেজেনি। বরং এদিনের বিমা সংস্থাগুলোর ধর্মঘট বুঝিয়ে দিল ধর্মঘটীরা আর কেন্দ্রীয় সরকারের কোন বক্তব্যকেই আমল দিতে রাজি নয়।
রাষ্ট্রায়ত্ত বিমা সংস্থায় বিদেশি লগ্নির সীমা ৭৪% করার প্রতিবাদেই কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে ধর্মঘটে নেমেছে বিমা সংস্থাগুলো। কারণ বেসরাকারিকরণ হলে শুধু সংস্থার কর্মীরাই নয়, বিপদে পড়তে পারেন রাষ্ট্রায়ত্ত বিমা সংস্থার অসংখ্য গ্রাহক। বেসরকারি বিমা কোম্পানিগুলো এমনিতেই গ্রামাঞ্চলের দিকে ব্যবসার লাটাই ছাড়তে আগ্রহী হয় না। সেক্ষেত্রে তাদের ভরসা থাকে সরকারি বিমা সংস্থাগুলোর ওপরেই। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, বিমা সংস্থায় তো মানুষ দীর্ঘদিনের জন্য টাকা রেখে থাকেন। সরকারি আস্থার কারণে নির্ভরযোগ্যতার জায়গা তৈরি হয়ে থাকে। কারণ টাকার নিয়ন্ত্রণ থাকে সরকারের হাতেই। বেসরকারিকরণ হলে তখন বিদেশি আধিপত্যই বিমা কোম্পানিগুলোয় বেড়ে উঠবে। ফলে, জনসাধারণের টাকায় নিয়ন্ত্রণের দড়ি আলগা করবে সরকার। যার ফলে ক্ষতির মুখে পড়তে পারে সংস্থার কর্মী সহ গ্রাহকেরাই। এমনই আশঙ্কায় দু’দিনের বিমা ধর্মঘট। কিন্তু ধর্মঘটের মুখে পড়ে কি কেন্দ্রীয় সরকার সুর নরম করবে নাকি আরও বড় ধর্মঘটের রাস্তায় হাঁটবে সংস্থাগুলো, তার দিকেই চোখ থাকবে দেশবাসীর।।
ব্যুরো রিপোর্ট, বিজনেস প্রাইম নিউজ