Daily
বি পি এন ডেস্ক: বন্যেরা বোধহয় আর বনে সুন্দর থাকতে পারছে না। তাই মাঝেমধ্যেই হানা দিচ্ছে লোকালয়ে। বাড়ছে সংঘাত মানুষে প্রাণীতে। ঝাড়গ্রামে লোকালয়ে হাতি ঢুকে পড়াটা কোন নতুন ঘটনা নয়। গত সোমবারেও বিনপুরের ভামালে ঢুকে পড়ে প্রায় ৪০-৫০ টির একটি হাতির দল। সকাল বেলা কুয়াশা ঘেরা মাঠে হাতির দাপাদাপি দেখে জড়ো হয় গ্রামবাসীরা। খবর দেওয়া হয় বনদপ্তরে। চলে হাতির পাল তাড়ানোর কাজ। সবকিছুই ঠিকঠাক ছিল। বিপত্তি হল একটি ছোট্ট হাতিকে ঘিরে। বনদপ্তর ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র সূত্রে জানা গিয়েছে মাঝেমাঝেই জঙ্গলের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত দাপিয়ে বেড়ায় এই হাতির দলটি, খাবারের খোঁজে। একদিকে জঙ্গল যখন ছোট হচ্ছে, অন্যদিকে হাতির দলের খাবারের প্রয়োজন দিনে দিনে বাড়তে থাকে। এদিকে ছোট্ট হাতিটি মাঠের মধ্যেই অসুস্থ হয়ে শুয়ে পড়লে তাকে ঘিরে রীতিমত ক্ষেতের মধ্যে দাপাতে থাকে দুটি বড় দাঁতাল। শেষ পর্যন্ত ছোট্ট হাতিটিকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠানো হয়। হাতিটিকে যথাযথ চিকিৎসা দিয়ে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। (বাইট- পশুচিকিৎসক ১৩ সেকেন্ড থেকে ৩৩ সেকেন্ড) ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন বনদপ্তরের স্থানীয় রেঞ্জার। গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়ে হাতির দলটিকে নিরাপদে গভীর জঙ্গলের দিকে পাঠিয়ে দেন। (বাইট ফরেস্ট রেঞ্জার, ৪৪ সেকেন্ড থেকে ৫২ সেকেন্ড) স্থানীয় পশুপ্রেমীদের বক্তব্য হাতির দল হামেশাই এই জঙ্গল থেকে ঐ জঙ্গলে ঘোরাফেরা করে শাবক সহ। কিন্তু কখনও কোন ছোট্ট শাবক যদি সেই অভিযানে পা মেলাতে না পারে, তখনই এইরকম বিপত্তি মাঝেমধ্যেই নেমে আসে জঙ্গলমহলের বাসিন্দাদের ওপর। এদিকে ছোট্ট শাবককে কত তাড়াতাড়ি মূল দলের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া যায় তার চেষ্টাই করছে বনদপ্তর।। ঝাড়গ্রাম থেকে অরূপ ঘোষের রিপোর্ট, বিজনেস প্রাইম নিউজ