Market
মূল্যবৃদ্ধির জেরে প্রায় নাজেহাল সাধারণ মানুষ। খুচরো বাজারে মূল্যবৃদ্ধির হার নিম্নমুখী হওয়া তো অনেক দূরের কথা বরং ক্রমশই লাগামহীন ভাবে তা বেড়ে চলেছে। জাতীয় পরিসংখ্যান বিভাগ এই বিষয়ে এক তথ্য প্রকাশ করেছে। সেখানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসহ বিভিন্ন খাদ্য দ্রব্যের অনিয়ন্ত্রতভাবে দামের বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টাকে মূল্যবৃদ্ধির মূল কারণ হিসাবে দেখানো হয়েছে
জুলাইয়ের আগে গত ত্রৈমাসিক পর্যন্ত খুচরো মূল্যবৃদ্ধি নিম্নমুখীই ছিল। তবে পরিস্থিতি ফের প্রতিকূল রূপ নেয় আগস্ট মাসে। আরবিআই ২ থেকে ৬ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যবৃদ্ধির হারের একটি সীমা বেঁধে রেখেছিল এর আগে। কিন্তু আগস্ট মাসে আরবিআইয়ের এই সীমার উপরে উঠে যায় মূল্যবৃদ্ধির হার। যার ফলস্বরূপ আবারো সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখা দেয়।আগস্ট মাসে এই সুদের হার বেড়ে দাঁড়ায় ৭.১ শতাংশে যা গত জুলাইতে ছিল ৬.৬৯ শতাংশ। এবং সেপ্টেম্বরে এই সুদের হার আরো বেড়ে দাঁড়ায় ৭.৪১ শতাংশ।
এইবছর আগস্টে যেখানে সুদের হার ছিল ৭.১ শতাংশ সেখানে গতবছর একই সময়ে তা ছিল ৩.১১ শতাংশ। আরবিআই মূল্যবৃদ্ধির হারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিভিন্ন লক্ষ্যমাত্রা তৈরী করলেও, আবহাওয়ার খামখেয়ালীপনার ফলে বহু ফসল নষ্ট হয়েছে চলতি অর্থবর্ষে। স্বাভাবিকভাবেই বাজারে আনাজের যোগান কম হওয়ায় খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
এছাড়াও ডলারের নিরিখে টাকার দামের পতনের পাশাপাশি জ্বালানীর দাম বৃদ্ধির বিষয়কেও অনেকে এসবের কারণ বলে মনে করছেন। বাজার বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, ডলারের দাম বাড়লে খরচ বাড়বে পণ্য আমদানি করার । স্বাভাবিকভাবেই প্রভাব পরবে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে। যার ফলে বাড়বে খুচরো বাজারে পণ্যের দাম। এছাড়াও জ্বালানীর দামের বৃদ্ধির ফলে বাড়বে পরিবহন খরচ। যার প্রভাব পড়বে খুচরো বাজারে।
বিজনেস প্রাইম নিউস
জীবন হোক অর্থবহ