Market

চা খেতে ভালবাসেন না এমন মানুষ বোধ হয় খুব কমই আছে। অনেকের কাছেই চা হল ইমোশন। দিনের শুরুতে চা টা ঠিক মত না পেলে যেন জমে না। এই চা প্রেমীরা রাস্তায় বেরিয়েও কোথায় ভাল চা পাওয়া যায় তার খোঁজ করতে থাকে। এই চা প্রেমীরা কী জানেন ভারতের শেষ চায়ের দোকানটি কোথায়? চলুন তাহলে ভারত সীমান্তের শেষ চাএর দোকানের গল্পটি জেনে নেওয়া যাক।
উত্তরাখণ্ডের মানা গ্রাম, স্থানীয় ভাষায় মানা গাঁও-ভারতের শেষ গ্রাম হিসেবে চিহ্নিত। আবার এই শেষ গ্রামের শেষে রয়েছে ভারতের শেষ চায়ের দোকান, যেটি সম্প্রতি ভীষণভাবে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। যদিও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই নামে একটু পরিবর্তন এনেছেন। তার মতে এই দোকান ভারতের শেষ চায়ের দোকান নয় বরং প্রথম চায়ের দোকান।
ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০,৫০০ ফুট ওপরে অবস্থিত এই দোকান। মালিক হলেন চন্দর সিং বরওয়াল। তিনি জানিয়েছেন যে এই দোকান প্রায় ৪০-৪৫ বছরের পুরনো। তাঁর আগে তাঁর পূর্বপুরুষরা এই দোকান চালাতেন। দোকানের রোজ বিক্রির পরিমাণ শুনলে অবাক হতে হবে। প্রতিদিন তার দোকানে গড়ে ১৫০০ থেকে ২০০০ কাপ চা বিক্রি হয়। প্রতি কাপ চায়ের মূল্য ২০ টাকা। অর্থাৎ প্রতিদিন বিক্রি প্রায় ৪০,০০০ টাকার। এক কাপ চাএর দাম ২০ টাকা। দামটা হয়তো শুনতে একটু বেশি। কিন্তু এই দাম ঠিক করার যে কারণ তিনি দেখিয়েছেন তা হল চা তৈরি করার সব উপকরণ যেমন জল, চাপাতা, দুধ সব কিছুই সমতল থেকে পিটটুদের ভাড়া করে আনতে হয় চন্দর বাবুকে। তিনি আরও জানান যে মে-জুন মাসে বিক্রির বাড়বাড়ন্ত থাকলেও অফসিজনে বিক্রি কিছুটা কমে যায়।
সীমান্ত শেষের এই চায়ের দোকান সম্প্রতি শুধু চা প্রেমীদের কাছেই নয় পর্যটকদের কাছেও এক ভীষণ আকর্ষণের স্থান হয়ে উঠেছে।
বিজনেস প্রাইম নিউজ
জীবন হোক অর্থবহ