Market

যদিও অনেকেই মনে করেছিলেন যে, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর পদে নির্ঘাত বসতে চলেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক। কিন্তু শেষমেশ ব্রিটেনবাসী আস্থা রেখেছেন লিজ ট্রাসের উপরেই। যিনি সদ্য রাণী এলিজাবেথের কাছ থেকে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। বরিস জনসনের পর ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন ৪৭ বছর বয়সী কনজারভেটিভ পার্টির প্রধান লিজ ট্রাস। শুভেচ্ছাবার্তা পৌঁছে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজেও। তারপরেই আন্তর্জাতিক বাজার বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলছেন, বরিস জনসনের পর কি লিজ ট্রাস ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যের রাস্তাকে আরও চওড়া করে দেবে?
এখানেই জানিয়ে রাখা প্রয়োজন যে, লিজ ট্রাস ব্রিটেনের খুব পরিচিত রাজনীতিবিদ। বরিস সরকারের আমলে লিজ সামলেছেন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদ। তার মধ্যে যেমন রয়েছে বৈদেশিক বাণিজ্য সচিব, তেমনই অন্যদিকে রয়েছে পররাষ্ট্র, উন্নয়ন ও কমনওয়েলথের সেক্রেটারি অফ স্টেট পদের দায়িত্ব। আর সবচেয়ে বড় কথা হল, লিজ ট্রাসের আমলেই ভারতের সঙ্গে ব্রিটেনের ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও মজবুত হয়। গত বছর লিজ ট্রাসই ভারত-ব্রিটেন এনহ্যান্সড পার্টনারশিপে সই করেছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক সুবিস্তৃত করার জন্য বড়সড় চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মনে করা হচ্ছে, দুই দেশের পণ্য আমদানি-রফতানির ক্ষেত্রেও সেটা বড় ভূমিকা নিতে চলেছে।
উল্লেখ্য, দুই দেশই পণ্য আমদানি-রফতানিতে একটা বড় ভূমিকা নিয়ে থাকে। নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসার পর ব্রিটেনের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ককে অনেকটা সুদৃঢ় করেছেন। অন্যদিকে, লিজ ট্রাস প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসার পরেই ভারতের সঙ্গে ভবিষ্যতে বাণিজ্যিক সু-সম্পর্ক বজায় রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন। আর সেই কথা প্রকাশ্যে একাধিক বক্তৃতায় এবং ইভেন্টে ধরা পড়েছে। বর্তমানে ব্রিটেনে মুদ্রাস্ফীতি রয়েছে বেশ বিপদের জায়গায়। সেখানে মুদ্রাস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ১০.১ শতাংশে। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে লিজ ট্রাস জানিয়ে ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসার পর তাঁর প্রথম লক্ষ্য হবে ব্রিটেনের মুদ্রাস্ফীতিকে নিয়ন্ত্রণ করা। এখন নরেন্দ্র মোদী এবং লিজ ট্রাস কিভাবে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিজনেস প্রাইম নিউজ
জীবন হোক অর্থবহ