Market

২০২৪ থেকে ২০২৭। আপাতত এই বছরগুলোর জন্য জি-তেই ব্রডকাস্ট করা হবে আইসিসির টুর্নামেন্ট। এভাবেই সম্প্রচার চুক্তি স্বাক্ষর করা হল ডিজনি স্টারের সঙ্গে। যার মধ্যে রয়েছে, আইসিসি আয়োজিত পুরুষ বিভাগের সমস্ত প্রতিযোগিতা এবং অনূর্ধ্ব-১৯ প্রতিযোগিতা। যদিও আইসিসি টুর্নামেন্টের ডিজিটাল রাইটস রেখে দিল ডিজনি হটস্টারই। আর এই স্বত্ত্ব নিজেদের হাতে নিয়ে ফের খেলার দুনিয়ায় ফিরল জি।
২০২৪, ২০২৬ এর আইসিসি মেন টি-২০ বিশ্বকাপ, ২০২৫ সালের আইসিসি মেন চ্যাম্পিয়ন ট্রফি, ২০২৭ এর আইসিসি মেন ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ এবং আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ এর সমস্ত সম্প্রচার দেখা যাবে জি-তেই। একমাত্র টিভি-তে সম্প্রচারের এই অনুষ্ঠানগুলিই দেখা যাবে জি-তে। ইতিমধ্যে এই দুই মিডিয়া সংস্থার মধ্যে যাবতীয় চুক্তি হয়ে গিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রথম বছরে শুধু আয়ের অঙ্কটা পৌঁছে যেতে পারে প্রায় দেড় হাজার থেকে দু’হাজার কোটি টাকায়। তারপর অবশ্য বছর বছর আয়ের অঙ্কটা বাড়তে পারে ১৫ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশ মতন। এখানেই জানিয়ে রাখি, ২০১৮ সালে জি তাদের অন্যতম খেলার চ্যানেল, যা সেইসময় ভালোরকম ক্ষতির মুখে পড়েছিল, সোনি পিকচারস নেটওয়ার্ক ইন্ডিয়াকে বিক্রি করে দেয় ৩৮৫ মিলিয়ন ডলারে।
প্রসঙ্গত গত সপ্তাহেই স্টার আইসিসির থেকে ভারতের সম্প্রচার স্বত্ত্ব কিনে নেয়। সেক্ষেত্রে টাকার অঙ্কটা দাঁড়িয়েছিল প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকায়। সেদিক থেকে দেখতে গেলে জি-কে এই স্বত্ত্ব কেনার জন্য ভালো টাকার অঙ্ক খরচ করতে হবে। আর এখানেই একটা প্রশ্ন তুলছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন, নিঃসন্দেহে ক্রিকেট নিয়ে ব্যবসার অঙ্ক বিপুল হবে। কিন্তু বর্তমানে তো টিভি-র থেকে ডিজিটালের রমরমা অনেকটাই বেশি। যেখানে টিভি-র ক্ষেত্রে এই গ্রোথ দাঁড়াতে পারে ৭-৮ শতাংশে, সেখানে ডিজিটালে এই গ্রোথ পৌঁছে যেতে পারে ২০-২৫ শতাংশে। ডিজনি নিজেও অবশ্য জানিয়েছে, ২০২৪ এর অর্থবর্ষে ডিজনি তাদের সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা বাড়িয়ে করতে পারে ২৬০ মিলিয়ন মতন। এখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, আদৌ কি জি খেলার দুনিয়ায় কামব্যাক করে নিজের আকাশছোঁয়া সাফল্য ধরে রাখতে পারবে? নাকি অনেকটাই ফ্যাকাশে হয়ে পড়বে ডিজনি হটস্টারের কাছে? আপনি কোন প্ল্যাটফর্মে খেলা দেখতে বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করবেন? মতামত জানান আমাদের কমেন্ট বক্সে।
বিজনেস প্রাইম নিউজ
জীবন হোক অর্থবহ