Market
বি পি এন ডেস্ক: লক ডাউন পর্যায়ে অর্থনীতিতে নেমে আসে খরা। ক্রমশই পঙ্গু হয়ে পড়ে অর্থনীতির ভিত। এরপর আনলক পর্ব শুরু হতে আমজনতার মধ্যে বাড়তে থাকে চাহিদা। আর চাহিদা বাড়া মানেই জোগানের স্রোত বজায় রাখা। সব মিলিয়ে অর্থনীতির ভাগ্য আবার ফিরতে শুরু করে। কেন্দ্রের নেতা-মন্ত্রীরা সেই দাবি প্রথম থেকেই করে আসছেন। তাঁদের কথা যে বিফলে যায় নি তার প্রমাণ পাওয়া গেল জিএসটির রেকর্ড সংগ্রহে। এই মার্চ মাসে জিএসটি সংগ্রহে ভারত রেকর্ড গড়লই বলা যায়।
সম্প্রতি অর্থমন্ত্রকের প্রকাশিত তথ্য থেকে পরিষ্কার, মার্চে জিএসটি সংগ্রহের অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ১,২৩,৯০২ কোটি টাকায়। অর্থমন্ত্রক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, মার্চ মাস নিয়ে টানা ছ’মাস জিএসটি সংগ্রহের অঙ্ক ১ লক্ষ কোটি টাকার ওপরে থাকল। অতিমারি পরবর্তী সময়ে এটাই অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোর মুখ্য প্রমাণ। কিন্তু এই রেকর্ড সংগ্রহ সম্ভব হল কি করে? অর্থমন্ত্রক জানাচ্ছে, সরকারের কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার কারণে কমে গিয়েছে কর ফাঁকি দেবার রাস্তা। এবং যে কারণে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ।
যদিও সংশ্লিষ্ট মহলের বক্তব্য, এখনই মুছে যায় নি করোনা ভাইরাস। উল্টে গা ঝাড়া দিয়ে উঠে পড়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে গোটা দেশ জুড়ে। প্রতিষেধক নিঃসন্দেহে বাজার চাঙ্গা রাখার একটা বড় অস্ত্র। কিন্তু তবু যদি সংক্রমণ ঠেকাতে ছোট ছোট লকডাউন বা কড়া নিয়মবিধি চালু করতেই হয় তাহলে হয়ত জোগান এবং চাহিদার ছন্দে ব্যঘাত ঘটতে পারে। তাই সেদিকেও নজর রেখে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে সরকারকে।