Market
কমছে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যেকার বাণিজ্য ঘাটতি। গুণগত মান ভালো হওয়ার কারণে ভারতের বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের চাহিদা এখন আকাশছোঁয়া। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২০-২১ অর্থবর্ষের তুলনায় ২০২১-২২ অর্থবর্ষে বাংলাদেশের তরফে পণ্য রপ্তানি বেড়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৩৪৪ টন। আগের যাবতীয় সব রেকর্ড ছাপিয়ে গত অর্থবর্ষে শুধুমাত্র আমদানি-রপ্তানি খাতে বাংলাদেশ ২০০ কোটি ডলার আয় করেছে বলে জানা গিয়েছে। আর এক্ষেত্রে পদ্মা সেতুও যে মাইলফলক হিসেবে কাজ করেছে তা বলাই যায়।
২০২২-২৩ অর্থবর্ষের প্রথম মাস জুলাইতেই প্রায় ১৫ কোটি ২০ লাখ ডলারের পণ্য ভারতে রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। যা কিনা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বকালীন রেকর্ড। অন্যান্য পণ্যের পাশাপাশি পোশাক শিল্পের মান বেশ উন্নত হওয়ায় ভারতের বাজার ছেয়েছে বাংলাদেশের পোশাকে। ভবিষ্যতে এই বাজার আরও বাড়বে বলে আশাবাদী সেদেশের পোশাক শিল্পের উদ্যোক্তা। ভারত পড়শি দেশ হওয়ায় পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে পরিবহণ খরচ অনেকটাই কম। আর মুনাফাও বেশি। তাই ভারতের বাজারকেই এখন পাখির চোখ করে এগোচ্ছে বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রক।
বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য বলছে, এখনও অবধি ভারত বাংলাদেশের মধ্যেকার বাণিজ্য বেড়েছে ২৯৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার। ভবিষ্যতে এই অঙ্কটা আরও বাড়বে। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের স্থিতিশীল অর্থনৈতিক উন্নয়ন ভারতের উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলোর জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করছে। অন্যদিকে, পদ্মা সেতুর কারণে ভারত-বাংলাদেশ যোগাযোগ ব্যাবস্থা অনেকটাই মসৃণ হয়েছে। যা দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি পুষিয়ে ফেলতে ইন্ধন জোগাবে। ফলে ভারতে রপ্তানি বাণিজ্য আরও প্রসারিত হবে।
বিজনেস প্রাইম নিউজ
জীবন হোক অর্থবহ