Story

করোনার অভিঘাতে বেসামাল স্বাস্থ্য থেকে জীবিকা। করোনার জোরালো কামড় পড়েছে একাধিক ক্ষেত্রে। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে জারি করা হয়েছে একগুচ্ছের প্রশাসনিক বিধি নিষেধ। এই বিধি নিষেধের গেরোয় বাদ পড়েনি সেলুন থেকে জিম। তবে সম্প্রতি রাজ্য সরকার সেলুন, পার্লার ৫০ শতাংশ ক্রেতা নিয়ে খোলার অনুমতি দিলেও এখনো পর্যন্ত জিম খোলা নিয়ে প্রশাসন টুঁ শব্দটি করেনি। আর তাতেই ক্ষোভে ফুঁসছেন জিম মালিকরা। তাঁদের দাবি, জিম বন্ধ রাখার কারণে আর্থিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন জিমের সঙ্গে যুক্ত হাজার হাজার মানুষ।
উত্তর ২৪ পরগনা থেকে দুর্গাপুর। কোথাও দেখা গেল প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে বিক্ষোভ। তো কোথাও মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সরাসরি আবেদন। জিম মালিকদের সেই নরম গরম মেজাজের ছবিটাই সরাসরি ধরা পড়ল বিজনেস প্রাইম নিউজের ক্যামেরায়। শুক্রবার দুর্গাপুর সিটি সেন্টারে মহকুমা শাসকের দফতরের সামনে প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ দেখালেন জিমের মালিকরা। গোটা দুর্গাপুর শহরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ১০৩টি জিম। করোনার ধাক্কায় বন্ধ রয়েছে সবকটা। অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন জিমের সঙ্গে যুক্ত এক হাজারেরও বেশি কর্মী। প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েও লাভ হয়নি কিছু। প্রশাসনের টনক নড়াতে তাই প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন তাঁরা। শুনুন ঠিক কী অভিযোগ তাঁরা তুলে ধরলেন বিজনেস প্রাইম নিউজের কাছে।
একদিকে যখন দুর্গাপুরে দেখা গেল বিক্ষোভ তখন উত্তর ২৪ পরগনায় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জিম খোলার আবেদন জানালেন জিম মালিকরা। তাঁদের বক্তব্য আগের লকডাউনে এমনিতেই ব্যপক ক্ষতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল তাঁদের। এবারেও যদি সেই একই অবস্থার মুখোমুখি হতে হয় তবে চরম ক্ষতির ধাক্কা সামলাতে হবে তাঁদের।
জিমের সঙ্গে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে জড়িয়ে রয়েছেন বহু মানুষ। সংসার ঠ্যালার জন্য তাঁদের ভরসা এই জিম। তাই অন্যান্য সব ক্ষেত্র খুলে গেলেও জিম বন্ধ থাকায় এক চরম অনিশ্চয়তা জমা হয়েছে জিম ক্ষেত্রে। এখন তাঁদের একটাই দাবি। প্রশাসনের টনক নড়িয়ে আবারো খুলে দেওয়া হোক জিম। সবরকম করোনা বিধি মেনেই। এখন রাজ্য সরকার কি পদক্ষেপ নেন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে জিম সংগঠন থেকে জিম মালিকরা।
কাঞ্চন দাস, বিক্রম লাহা
দুর্গাপুর, উত্তর ২৪ পরগনা