Story
বি পি এন ডেস্ক : গ্রামের নাম রামচন্দ্রপুর। অজানা, অচেনা এই অখ্যাত গ্রামেই তৈরি হচ্ছে এ যুগের নতুন উপাখ্যান। নতুন রামায়ণ। লিখছেন পেশায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিপ্লোমা হোল্ডার। কর্মসংস্থানের বাজারে যখন করোনা থাবা, তখনই উত্তর চব্বিশ পরগণা জেলার গাইঘাটা ব্লকের রামচন্দ্রপুরে রাজ্যের বেকারদের জন্য নতুন উপাখ্যান লিখলেন মণীশ পাণ্ডে।
চোদ্দ বছরের মোটা মাইনের চাকরিতে দাঁড়ি পড়ে করোনায়। বিনা মেঘে বজ্র পাতেরমতন।এই সময় সারা পৃথিবীতে ১২২ মিলিয়ন লোকের রুটি রুজিতে পড়ে টান। ভারতেও রাতারাতি কয়েক কোটি লোকের মুখে বন্ধ হয়ে যায় অফিসের দরজা। এই সময় দেশ দেখল পরিযায়ীদের ঢল।অর্থনীতি চুপসে যায় বেলুনের মত।খড়কুটোরমত ভাসতে থাকে মানুষের জীবন জীবিকা।
এটা বেশ কমন ছিল সবার মত মণীশের জীবনেও।বন্ধুর পরামর্শ যেন কাজ করল আলাদিনের মত।এখান থেকেই শুরু হল নতুন ক্লাইম্যাক্স।শুরুহল জীবনের সাথে ঘুরেদাঁড়ানোর আড়পার লড়াই।যে লড়াইতে ভর করে রাম চন্দ্রপুরে বসেই এ যুগের বেকারদের সামনে রাখলেন কর্মসংস্থানের নতুনদিশা।নতুনআয়োজন।