Daily

শীঘ্রই সচেতন হন। নয়ত, সাংঘাতিক মূল্য চোকাতে হতে পারে। আগামীতে ভয়ঙ্কর দিন আসছে। জলবায়ু পরিবর্তন আজ বিপর্যয়ের আকার নিয়েছে। আগামী ৩০ বছরের মধ্যে বিপদ ঘনিয়ে আসছে পৃথিবীর বুকে। বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় ১০ লক্ষ প্রজাতির। বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, তাপপ্রবাহ ইত্যাদি প্রাকৃতিক বিপর্যয়ও নাকি বাড়তে পারে। পরিবর্তিত হতে পারে সাধারণ মানুষের জীবনশৈলী। ব্যাহত হবে ইকোসিস্টেম। নদীভিত্তিক জীবন কঠিন হবে। এমনটাই বার্তা দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। পরিবর্তিত জলবায়ু এবং ঘনিয়ে আসা বিপর্যয়ের সঙ্গে কিভাবে মোকাবিলা করবেন সাধারণ মানুষ? সেই নিয়েই এক আলোচনা সভার আয়োজন করে আকাশবাণী কলকাতা। সম্প্রতি বেলগাছিয়ার ওয়েস্ট বেঙ্গল ভেটেরিনারি কাউন্সিল প্রেক্ষাগৃহে আয়োজিত হল ‘বিজ্ঞান বসুধা’ নামের এই অনুষ্ঠানটি।
জি-২০ দেশের প্রেসিডেন্ট ভারত। বছরভর বিদেশী অতিথিদের আসা-যাওয়া চলছে। চলছে নানান অনুষ্ঠান। দেশের অভ্যন্তরেও চলছে একাধিক অনুষ্ঠান। ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন-শূন্য পরিবেশ উপহার দিতে এবং অবশ্যই কৃষিক্ষেত্রে বেশ কিছু পরিবর্তন আনতে। জলবায়ু সংকট আজ সমগ্র বিশ্বের ব্যাধি। যে রোগের সে অর্থে কোন ওষুধ নেই। তবে হ্যাঁ! সকল দেশ যদি একসঙ্গে জোট বেঁধে পরিবর্তনের অঙ্গীকার নেয়, তবে কিছুটা সুরাহা হলেও হতে পারে।
‘অস্তিত্বের জন্য সংগ্রাম’- সে তো আজকের কথা নয়। ডারউইনের এই তত্ত্ব সৃষ্টির সময় থেকেই চলে আসছে। জলবায়ু পরিবর্তন নতুন কিছু নয়। আগেও হয়েছে এবং পৃথিবী তার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার লড়াই জারি রেখেছে। যারা পারেনি তারা বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে। তবে, আজ যখন মাধ্যম এসছে, টেকনলজি উন্নত হয়েছে, তখন তার সুযোগ নেওয়া হবে না? তাই আঁচ পেয়েই আগেভাগে জনগণকে সচেতন করতে উদ্যোগী হয়েছে একদল পরিবেশ বিশেষজ্ঞ। প্রাণীসম্পদ এবং কৃষিজ ক্ষেত্রে বুদ্ধি করে পরিবর্তন আনা গেলে হয়তো ক্ষয়ক্ষতি কিছুটা হলেও আটকানো সম্ভব।
২০২৩ অর্থবর্ষকে কেন মিলেট বর্ষের নাম দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, তার একটা আইডিয়া পাওয়া গেল। রবি শস্য চাষের পাশাপাশি দানাসশ্য চাষের জন্যেও বিশেষ জোড় দেওয়ার কথা তিনি বলে আসছেন। যাতে মানুষ এবং অন্যান্য পপ্রাণীদেরও উপকার হয়। এবার আসা যাক দেশের মৎস্যসম্পদের বিষয়ে। কারণ ইদানিংকালে ভারত কিন্তু মৎস্যসম্পদেও বেশ হৃষ্টপুষ্ট হয়ে উঠেছে।
সমস্যা হাজারও একটা সমাধান শুধু একটাই।
সুতরাং সঙ্গবদ্ধ হতে হবে। সামনে কঠিন দিন। কিন্তু তা মোকাবিলা করার মত মনের জোড় রাখতে হবে। একাধিক উপায় জানালেন বিশেষজ্ঞরা। সেগুলো ফলো করলে ক্ষতির অঙ্ক কিছুটা হলেও সামলে নেওয়া যাবে। এবং জি-২০-র সভাপতি হিসেবে একটা উদাহরণ তৈরি করবে।
সুব্রত সরকার
কোলকাতা