Market

মোটরসাইকেলে তেল ভরা যাবে সর্বোচ্চ ৪০০ টাকার! গাড়িতে সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকার! এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে স্বাভাবিকভাবেই গুঞ্জন উঠেছিল। তাহলে কি সত্যিই বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট দেখা দিচ্ছে? প্রশ্নটা যখন সত্যিই আশঙ্কা ধরিয়ে দেওয়ার মতন, তখন বেশ অনেকটাই আশ্বাস দিল বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন বা বিপিসি।
বিপিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের সংকট খোঁজা অমূলক। কারণ বাংলাদেশের ভাঁড়ারে যা তেল মজুদ আছে তাতে করে একমাস নির্বিঘ্নে কেটে তো যাবেই। একইসঙ্গে আগামী আরও ৬ মাসের জ্বালানি কেনার বরাত ইতিমধ্যেই দিয়ে দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, সামনের সপ্তাহেই চট্টগ্রাম বন্দর হয়ে ৩০ হাজার টন ডিজেল এসে পৌঁছবে। সরকারি হিসেব অনুযায়ী, বাংলাদেশে মজুদ রয়েছে ৪ লক্ষ ৩১ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল, ১২ হাজার মেট্রিক টন অকটেন, জেট ফুয়েল মজুদ রয়েছে ৬৩ হাজার মেট্রিক টন মতন। বিপিসি জানিয়েছে, এই মজুদ তেল দিয়েই চালানো যাবে আরও মাস খানেক। এছাড়া তেল সংকট ঘোচাতে বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের আমদানির বরাত দেওয়া হয়ে গিয়েছে। প্রথমার্ধে জ্বালানি তেল আনা হবে জিটুজি চুক্তির মাধ্যমে। পরের জ্বালানি তেল আনা হবে খোলা দরপত্রের মাধ্যমে।
সরকারি তরফে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশবাসীকে ইতিমধ্যেই জ্বালানি তেল ব্যবহারের জন্য সাশ্রয়ী হতে বলা হয়েছে। শেখ হাসিনার সরকার পরামর্শ দিচ্ছে, জ্বালানি তেলের ব্যবহার পরিবার পিছু কমানো হোক ২০-৬০ শতাংশ মতন। কারণ, বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট তৈরি না হলেও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের সংকট রয়েছে বিশ্বব্যপী। দাম বাড়তে শুরু করায় বিভিন্ন দেশ আজ জ্বালানির অভাবে ভুগছে। আর যে কারণে জ্বালানি সংকট বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এই মুহূর্তে জ্বালানি সংকট নিয়ে আশঙ্কায় ভোগার কারণ নেই বলে জানাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার।
বিজনেস প্রাইম নিউজ
জীবন হোক অর্থবহ