Market
ভাইরাসের কারণে ক্র্যাশ করল ফ্লাইট। অতিমারির চাপে রীতিমত গোঁত্তা খেল উড়ান ব্যবসা। আবারও মেঘ জমল বিমানের বুকে। আতঙ্কে যাত্রীরা।
জানা গিয়েছে, দেশে কোভিড পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তারপর যাত্রীদের মধ্যে ঢুকেছে প্রবল ভাইরাসভীতি। আর সেই কারণে এক ধাক্কায় বিমান বুকিং নেমে এলো ৫০%-এরও কম। প্রথমবার করোনা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার পর গোটা বিমান পরিষেবাই মুখ থুবড়ে পড়ে। আন্তর্জাতিক স্তরে বাধা থাকলেও অন্তর্দেশীয় বিমানপথে ক্রমশ তৈরি হয় ব্যস্ততা। বাড়ে ফ্লাইট ওঠা-নামার সংখ্যা। যদিও সেটা প্রি-কোভিডের মত নয়। তবু হতাশার মেঘ কাটছে আর ব্যবসার চাকা আবারও ঘুরছে দেখে হাসি ফোটে উড়ান ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত সকল কর্মীদের মুখে। কিন্তু আবারও ঘা মারল করোনার দ্বিতীয় ঝড়। আর ঠিক এমনই একটি সময় যখন গরমের ছুটিতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পর্যটকদের ঢল নামে। স্বাভাবিকভাবে এই সময়েই ফ্লাইট বুকিংয়ে রীতিমত হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। কিন্তু কোভিড পরিস্থিতি হঠাৎই খারাপ হয়ে যাওয়ায় আবারও অনিশ্চয়তা তৈরি হল উড়ানে। শুধু রবিবারেই যাত্রীসংখ্যা কমেছে প্রায় ২ লক্ষ ৩৬ হাজারের মত।
আসাম, বিহার এবং পাঞ্জাবে বিমানযাত্রীদের করা হচ্ছে কোভিড টেস্ট। মহারাষ্ট্র, দিল্লি, ওড়িশা, উত্তরাখণ্ড, লাদাখ এবং জম্মু-কাশ্মীরের মত রাজ্যগুলি ইতিমধ্যেই বিমানযাত্রীদের জন্য কোভিড নেগেটিভ টেস্ট বাধ্যতামূলক করেছে। তার ওপর রয়েছে নাইট কার্ফু, লকডাউন। অর্থাৎ এক রাজ্য থেকে আরেক রাজ্যে পৌঁছলে এক বড়সড় ঝক্কি পোহাতে হতে হচ্ছে যাত্রীদের। তারপর তো করোনার ভয় রয়েছেই। তবে সমীক্ষা বলছে, ক্ষতি শুধু বিমান পরিষেবাতে নয়। হয়েছে ট্র্যাভেল ইন্ডাস্ট্রিতেও। সেখানেও ব্যবসায় ঘাটতি হয়েছে প্রায় ১০-১৫%।
ব্যুরো রিপোর্ট