Story
একদিকে যখন অতিমারির থাবায় অর্থসংকটের মুখে দাঁড়িয়েছেন কৃষকরা, চাষ করেও যখন আর্থিক অনিশ্চয়তার কারণে জমা হচ্ছে শুধুই হতাশা ঠিক তখনই বাংলার কৃষিদপ্তর এগিয়ে এসে দাঁড়িয়েছে কৃষকদের পাশে। তারই একটা প্রতিফলন ধরা পড়ল পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়ীতে। যেখানে কৃষকদের হাতে তুলে দেওয়া হল গোবিন্দভোগ, বাদশাভোগের মত সুগন্ধী বীজ ধান। যা সঠিকভাবে চাষ করলে কৃষকদের দুর্দশা অনেকটাই ঘুচবে।
গত মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গ কৃষি বিভাগের আরকেভিওয়াই তথা অ্যারোমেটিক রাইস প্রকল্পের অধীনে সুগন্ধী বীজধান বিতরণ করা হল ধানচাষিদের মধ্যে। ব্লকের ৯টি গ্রাম পঞ্চায়েতের সবকটি মৌজায় ৫৫০ হেক্টর জমিতে প্রদর্শনী ক্ষেত্রের মধ্য দিয়ে চাষিদের এই বীজ ধান দেওয়া হবে। সঙ্গে দেওয়া হবে অন্যান্য সামগ্রীও।
কৃষকদের মধ্যে শুধু সুগন্ধী বীজধান বিতরণ করলেই তো হলনা। কিভাবে চাষ করতে হবে তার জন্য প্রয়োজন প্রশিক্ষণের। কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যপারেও কথা বললেন সজলবাবু।
স্বাভাবিকভাবেই বীজ ধান পেয়ে যথেষ্ট খুশি কৃষকেরা। একদিনেই ১৫০ জন কৃষকের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে এই বীজ ধান।
কৃষি আমাদের ভিত্তি। তাই কৃষকরা যাতে কোনরকম বিপদের মধ্যে না পড়েন সেদিকেই নজর রাখছে কৃষিদপ্তর। অতিমারি পরিস্থিতির মধ্যেও যাতে কৃষকরা চাষাবাদ করে তাঁদের আর্থিক দিকটা মজবুত করতে পারেন, সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই কৃষকদের সবরকম ভাবে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে আসছে কৃষিদপ্তর।
প্রসূন ব্যানার্জী, পশ্চিম মেদিনীপুর