Market
বি পি এন ডেস্কঃ কেন্দ্রীয় সরকার দেশের অর্থনীতির হাল ফেরাবার আশায় বেসরকারি লগ্নির ওপর আস্থা রাখলেও, সাড়া পাচ্ছে কোথায়? ২০১৯ সালের শেষ থেকে বেসরকারি বিনিয়োগকেই ঢাল করে ঝিমিয়ে পড়া অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার চেষ্টা করেছিল কেন্দ্র। স্বস্তি পাওয়ার আগেই এল অতিমারি এবং লকডাউনের থাবা। শাঁখের করাতে পড়ে দেশের অর্থনীতি আরও বিধ্বস্ত হল। চাহিদা ক্রমশ কমতে থাকায় তলানিতে গিয়ে ঠেকল ভারতের জিডিপি। টানা ছ’মাস মাথা নিচু করে থাকার পর এই অর্থবর্ষে খুব সামান্য বৃদ্ধিই আশার আলো জাগিয়েছিল কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের মনে। তাই মাত্র ০.৪ শতাংশ বৃদ্ধিকে হাতিয়ার করে কেন্দ্র আরও বেসরকারি লগ্নির পথেই হাঁটতে চাইল। কিন্তু কাকস্য পরিবেদনা। বিশেষজ্ঞমহলের মতে, এতোকমবৃদ্ধিভেঙেপড়াঅর্থনীতিরহালফেরাতেপারবেবলেমনেহয়না।তাছাড়াজিডিপিবাড়াতেগেলেএখনবেসরকারিবিনিয়োগছাড়াঅন্যকোনরাস্তাওদেখাযাচ্ছেনা।
মোদীর সুরে গলা মিলিয়ে গত শনিবার কেন্দ্রের মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টা কৃষ্ণমূর্তি সুব্রমণ্যন সিআইআইয়ের একটি বার্ষিক সভায় জানান, কেন্দ্রীয়সরকারব্যবসায়নিজেকেজড়াবেনা।বরংবেসরকারিবিনিয়োগহলেইউৎপাদনেরসঙ্গেআরওনতুনকর্মসংস্থানেরসুযোগতৈরিহবে।ফেরমানুষকিনতেউদ্যোগীহলেঘুরতেশুরুকরবেবাজারেরচাকাও।তখনইআরওবেসরকারিলগ্নিরপথপরিষ্কারহবে।
কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, চাহিদা না বাড়লে লগ্নি হবে কি করে? আর কবেই বা তৈরি হবে যথেষ্ট চাহিদা? দেশের অর্থনীতি স্বাভাবিক হতে আর কতদিন সময় লাগবে? কৃষ্ণমূর্তি দাবি করেছেন, সম্পূর্ণ ঘুরে দাঁড়াতে এখনও কিছুটা সময় লাগবে। যদিও চাকা ঘোরার কাজ শুরু হয়ে গেছে ইতিমধ্যেই।
ব্যুরো রিপোর্ট, বিজনেস প্রাইম নিউজ