Daily
অঙ্কিত মুখার্জী, বারাসাত: বেহাল অর্থনীতির পালে হাওয়া টানতে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতিয়ার এখন পরিসংখ্যানের পর পরিসংখ্যান। লক থেকে আনলক পর্ব। কেটে গিয়েছে অনেকগুলি মাস। সরকারের বক্তব্য দেশে বিকাশের চাকা আবারও গড়াতে শুরু করেছে।
অন্যদিকে, রাজ্য সরকারের বক্তব্য, শিল্প থেকে কর্মসংস্থান সবেতেই এগিয়ে এই রাজ্য। অর্থনীতিবিদরা অবশ্য যথারীতি দেখছেন না এখনও কোন আশার আলো। পরিসংখ্যান আর রাজনীতির ময়দানের বাকযুদ্ধের বিপরীত চিত্র দেখা যাচ্ছে বাস্তবে।
বারাসাতের ফুটের বাজার থেকে সব্জিবাজার, ফুলের বাজার, মাছের বাজার চিত্রটা মোটামুটি একই। খদ্দেরের দিকেই তাকিয়ে সবাই। ওদের ভাষাই বলে দিচ্ছে কোথায় দাঁড়িয়ে অর্থনীতি?
দো গজ কি দূরী নয়, বেশি প্রচারে এসেছে সামাজিক দূরত্ব। ফল শুনশান বাজার। অর্থনীতির ভাঁড়ে মা ভবানি দশায় দূরত্বের বিধান নিয়েই প্রশ্ন তুললেন সমাজবিজ্ঞানের অধ্যাপক।
বিকিকিনির বাজারে অমাবস্যা যে কিভাবে কাটবে তা নিয়ে কোন আশার আলো দেখাতে পারলেন না ড. সরোজ পাঁজার মত বর্ষীয়ান অর্থনীতিবিদ। এখন করোনা যেভাবে বাড়ছে দেশ যদি ফের লক ডাউনের পথ ধরে তাহলে কি হবে দেশের হাল? বিশ্লেষকরা তো ইতিমধ্যেই ইতিউতি বলতে শুরু করেছেন, আর নয় অর্থহীন অর্থনীতি। এখন অর্থনীতির গতিপথ কোনখাতে বইবে সেটাই সবথেকে বড় প্রশ্ন বাংলা ও দেশের মানুষের কাছে।