Market
বি পি এন ডেস্ক: দিন ফুরোল নগদে জিনিস কেনার। ক্রেতা বিক্রেতার মধ্যে আই টু আই সম্পর্কেও হয়ত পড়ল ভাটা। দোকানে গিয়ে পছন্দের জিনিস কেনার হিড়িক ক্রেতাদের মধ্যে এখনও কিছুটা জিইয়ে থাকলেও আগের ছবিটা হয়ত অনেকটাই ম্লান হয়ে যেতে চলেছে। সৌজন্যে, ই-কমার্স। লক ডাউনের সময় থেকে যার দৌলতে ক্রেতারা বাড়িতে বসেই পেয়ে যাচ্ছিলেন প্রয়োজনীয় পণ্য। অনলাইনে কেনাকাটার চাহিদা তারপর থেকে অনেকটাই বেড়ে গেছে। সশরীরে দোকানে গিয়ে জিনিস বাছাই করে কেনার যে অভ্যাস ক্রেতাদের মধ্যে ছিল, সেটাই বদলে যেতে চলেছে অনেকটা।
সম্প্রতি ৪১টি দেশের ওপর একটি সমীক্ষা করে আর্থিক লেনদেন নিয়ে গবেষণা করা আন্তর্জাতিক সংস্থা এফআইএস। সংস্থার ‘গ্লোবাল পেমেন্টস রিপোর্ট’-এ প্রকাশ পেয়েছে এমনই কিছু তথ্য।
ভারতীয় ক্রেতাদের অধিকাংশ অনলাইন নির্ভর হয়ে পড়ার কারণে আগামী চার বছরে ই-কমার্সের বাজার বাড়বে ৮৪%। বর্তমানে ভারতীয় ই-কমার্সের বাজার প্রায় ৬০০০ কোটি ডলারের। ভারতীয় মুদ্রায় যার অঙ্ক ৪.৩৮ লক্ষ কোটি টাকা। এই অঙ্ক বেড়ে দাঁড়াবে ১১,১০০ কোটি ডলারে। ভারতীয় মুদ্রায় অঙ্কটা প্রায় ৮.১০ লক্ষ কোটি টাকা।
ই-কমার্স ব্যবসার এই বাড়বাড়ন্তের পিছনে রয়েছে ডিজিটাল লেনদেনের ব্যবস্থা। অর্থাৎ মোবাইলের মাধ্যমে দাম মেটানো। মনে করা হচ্ছে, ডিজিটাল ওয়ালেটের ব্যবহার বাড়তে পারে ৪০%। ক্রেডিট এবং ডেবিট কার্ডের ব্যবহার বাড়তে পারে ১৫%।
ই-কমার্সের ব্যবসা বৃদ্ধি পেলে দেশের খুচরো ব্যবসায়ীদের ওপরেও কি প্রভাব পড়তে পারে? হতে পারে তাদের ব্যবসায় ক্ষতি? ডিজিটাল প্রযুক্তি ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে পৌষ মাস, সর্বনাশের সম্পর্ক আরও মজবুত করছে না তো? তার উত্তর দেবে সময়। যদিও জানা গিয়েছে, ই-কমার্সের প্রভাব পড়েছে সাধারণ দোকানগুলির ওপরেও। তারাও ব্যবসা বৃদ্ধির জন্য হয়ে পড়ছে অনলাইন নির্ভর।