Market
বি পি এন ডেস্ক: চায়ের পেয়ালায় সুগন্ধের ঝড় তুলতে দার্জিলিঙয়ের জুড়ি মেলা ভার। কিন্তু করোনার ঢেউ আটকে দিয়েছে বিদেশে পাড়ির সম্ভাবনা। তাই দেশীয় বাজার ধরতে উদ্যোগী হয়েছে দার্জিলিং এর চা শিল্প, অবশ্যই সাধ্যের মধ্যে চাহিদা পূরণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে। ভারত থেকে সুদূর ইয়োরোপ দার্জিলিং ফার্স্ট ফ্লাশের জনপ্রিয়তার খামতি কোথাও নেই। মূলত ইংল্যান্ড এবং জার্মানিতে দার্জিলিং চায়ের গ্রহণযোগ্যতা বরাবরই থাকে ওপরের দিকে। তাই ইয়োরোপের এই সকল দেশে চা বিক্রি হয় বেশ চড়া দামেই। কেজি প্রতি ১৭০ ডলারে দার্জিলিঙের ফার্স্ট ফ্লাশ পৌঁছে যায় সেখানকার কাফে থেকে টি লাউঞ্জে। ব্যবসা চলছিল ঠিকই। কিন্তু লাভের দাঁড়ি টানল করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ। জানা গিয়েছে, করোনা ভাইরাস চা রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করায় সঙ্কুচিত হচ্ছে উত্তরবঙ্গের চা ব্যবসা। বছরে প্রায় ৮০ লক্ষ কেজি চা উৎপাদন করে দার্জিলিং। তার অধিকাংশই রপ্তানি হয় বিদেশে। এদিকে পশ্চিমী প্রভাবে এদেশেও বাড়ছে টি লাউঞ্জ, কাফের রমরমা। তাই আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ব্যবসার পরিসর ক্ষুদ্র হওয়ায় চা মালিকদের নজরে এবার দেশীয় বাজার। যার অধিকাংশটাই পৌঁছে যাবে মুম্বই, দিল্লি, ব্যাঙ্গালোরের মত শহরে। এদিকে মে মাসের শুরুতে সেকেন্ড ফ্লাশ চা রপ্তানির আশা দেখছেন চা মালিকেরা। কারণ ততদিনে ভ্যাকসিনেশনের প্রক্রিয়াও এগিয়ে যাবে অনেকটাই। একইভাবে ব্যবসায়ীদের আশা, যদি মুম্বইয়ে বিমান পরিষেবা স্বাভাবিক হয়ে যায় তবে দেশীয় বাজারেও চা বিক্রিতে কমতি থাকবে না। ব্যুরো রিপোর্ট, বিজনেস প্রাইম নিউজ