Market
চড়ছে সংক্রমণ, বাড়ছে আতঙ্ক। যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে পর্যটন শিল্পে। করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় অভিঘাতে বেহাল অবস্থায় পড়তে চলেছে ট্যুরিজম ইন্ডাস্ট্রি। সংস্থারগুলির অফিসে পর্যটকদের ফোন আসা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। বুকিংয়ের তো কোন প্রশ্নই নেই। ফলে এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মানুষের আগামীদিনগুলোকে আবারও ঘোর অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিল করোনা ভাইরাস।
প্রথম ঢেউ যখন ভারতের ওপর আছড়ে পড়ে, তখন ট্যুরিজমের ব্যবসায় তালা পড়ে যায়। লক ডাউন পর্যায়ে কার্যত মাছিমারা পরিস্থিতি তৈরি হয় সংস্থাগুলির। আনলক পর্ব থেকে ক্রমশ ছন্দে ফিরতে শুরু করলেও একেবারে স্বাভাবিক হয় নি পরিস্থিতি। কিন্তু মানুষের মধ্যেও ক্রমশ ঘুরতে যাবার আগ্রহ আবার বেড়ে উঠছিল। যে কারণে সংস্থার আধিকারিকদের মনেও প্রদীপের সলতের মত আশা বাড়ছিল গরম ও পুজোর ছুটিতে ব্যবসার হাল আবার ফিরবে। কিন্তু সব আশা মিশে গেল ধুলোয়। সংক্রমণের বহর দেখে আমজনতার মধ্যেও আতঙ্ক ফের চাগাড় দিয়ে উঠছে। ফলে পরপর দুটো বছর কার্যত হোঁচট খাচ্ছে পর্যটন শিল্প।
রাজ্যের মানুষ পুজো বা গরমের ছুটিতে পাহাড়মুখী হয়। কিন্তু সিকিমে ঢুকতে গেলে এখন করোনা পরীক্ষা আবশ্যিক হয়ে পড়েছে। সেখানেও রয়েছে নাইট কার্ফু। সবমিলিয়ে পরিস্থিতি এতটাই জটিল এবং ভয়ের যে পর্যটকদের মধ্যে তৈরি হচ্ছে অনিচ্ছা। স্কুল, কলেজ বন্ধ থাকার জন্য থেমে গেছে এডুকেশনাল ট্যুর। অফিসিয়াল কাজের সূত্রে বন্ধ হয়েছে কনফারেন্স। সবই হয়ে যাচ্ছে অনলাইনে।
পরিস্থিতি ক্রমশ এমনই জায়গায় পৌঁছচ্ছে যে শুধু সংস্থাগুলিই নয়, পাহাড় বা সমুদ্রের জায়গার মানুষেরাও যারা পর্যটকদের আশায় দিন গুনে থাকেন তাঁরাও আঁচ করছেন বিপদ। তাই সব মিলিয়ে বলাই যায় যে করোনার সেকেন্ড ওয়েভ রীতিমত পঙ্গু করে দিয়েছে পর্যটন শিল্পকে।।
বি পি এন ডেস্ক