Story

প্রযুক্তি আর বিজ্ঞানকে খাতায় কলমে কিংবা চোখের সামনে জুড়তে দেখেছেন এতদিন। এবার চোখের আড়ালে বা বলা যেতে পারে সোজা ব্রেনের ভিতর মিলবে তারা। প্রযুক্তি আর বিজ্ঞানের মেলবন্ধনের বছর হতে চলেছে ২০২২। হতে চলেছে মানুষের মগজ ধোলাই? কেন বলছি?
ধরুন, আপনি যে গানটি ভাবছেন, সেটাই চলছে আপনার মিউজিক সিস্টেমে। অবাক লাগছে? আজ যা অকল্পনীয়। কাল সেটাই বাস্তব। আর এই অসম্ভবকে সম্ভব করতে চলেছে এলন মাস্ক। তবে, শুধু মিউজিকই নয়, এবার রেকর্ড হবে মানুষের মস্তিষ্কের যাবতীয় ক্রিয়াকলাপ। মস্তিষ্কে বসবে মাইক্রো চিপ। মানুষের মেরুদণ্ডের গুরুতর আঘাত কিংবা স্নায়বিক ব্যাধির বিন্দুমাত্র হদিশ পেলে সরাসরি সিগন্যাল দেবে চিকিৎসককে। চিকিৎসা বিজ্ঞানে নবজাগরণ আনতে চলেছে নিউরালিঙ্কের তৈরি এই মাইক্রো ব্রেইন চিপ।
আজ থেকে ৬ বছর আগে, অর্থাৎ ২০১৬ সালেই এলন মাস্কের এই কোম্পানি মানুষের মস্তিষ্কে এই চিপ বসানোর জন্য এবং মস্তিষ্ককে স্টিমুলেট করার জন্য এই ধরনের চিপ নিয়ে রিসার্চ করছে। তবে এবার অর্থাৎ ২০২২ থেকেই ব্রেন-ইন্টারফেস প্রযুক্তি কোম্পানি নিউরালিঙ্ক মানুষের মধ্যে মাইক্রোচিপ রোপণ করার কাজ শুরু করতে পারে।
কি কি কাজ করতে সক্ষম এই নিউরালিঙ্ক? প্রথমত তো এটি আপনার শরীরে হরমোনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হবে, যা অন্যান্য জিনিসগুলির মধ্যে উদ্বেগ উপশমে সাহায্য করবে। এছাড়াও সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং বিষয়টি হচ্ছে, এটি আপনার মস্তিষ্কে বসেই আপনাকে সহজভাবে মিউজিক স্ট্রিমিং করতে সাহায্য করবে। অর্থাৎ গান ভাববেন মাথায়, আর গান চলবে ডিভাইসে।
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স তো আপনার ভাবনা চিন্তাকে পড়তে পারে। তবে এবার আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে পাশে সরিয়ে রেখে মানুষের মস্তিষ্ক এবং কম্পিউটারের মধ্যে সরাসরি সংযোগ সাধন করবে এই প্রজেক্ট। আর এই প্রজেক্ট সফলতা পেলে, বিজ্ঞান তথা প্রযুক্তিতে একটা নতুন যুগের যে সূচনা হতে চলেছে, তা আর বলার অবকাশ রাখে না।
বিজনেস প্রাইম নিউজ
জীবন হোক অর্থবহ