Trending

টুইটারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ক্রমশই তিক্ততার পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই ঘটনার সূত্রপাত বিতর্কিত নয়া আইন নিয়ে। যা ভারত সরকার টুইটার সহ ফেসবুক, গুগল, ইউটিউবকে পাঠায় সেই নির্দেশ মানার জন্য। অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমগুলো সেই নির্দেশ মেনে নিলেও টুইটার বারবার ভারত সরকারের সঙ্গে সংঘাতের মঞ্চে এসে দাঁড়ায়। যে কারণে প্রতিবারই কেন্দ্রীয় সরকারের পারদ চড়তে থাকে। এবার সরাসরি টুইটারকে চূড়ান্ত নোটিশ পাঠাল কেন্দ্র। জানান হল, না মানলে অপ্রত্যাশিত পরিণতি হতে পারে এই জনপ্রিয় সামাজিক মাধ্যমটির।
গত শনিবার দেশের তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাইবার আইন বিভাগের গ্রুপ কো-অর্ডিনেটর রাকেশ মাহেশ্বরী টুইটারের ডেপুটি জেনারেল কাউন্সিল জিম বেকারকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন, নতুন আইন নিয়ে সরকার যে চিঠি টুইটারকে পাঠিয়েছিল এবং টুইটার যে জবাব দিয়েছে তা একেবারেই অস্বচ্ছ। কারণ, টুইটারের আইনটিতে পূর্ণ সমর্থন আছে কিনা সেটাই পরিষ্কার নয়।
উল্লেখ্য, সোশ্যাল মিডিয়ার হাতে দড়ি পরাতে কেন্দ্র নতুন নির্দেশিকা নিয়ে আসে। এবং সরকারের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, সামাজিক মাধ্যমগুলো কেন্দ্রের দেওয়া এই নয়া নির্দেশিকা মানতে বাধ্য থাকবে। প্রথম সারির সামাজিক মাধ্যমগুলো সেই নির্দেশ মানতে রাজি থাকলেও বেঁকে বসে টুইটার। বাক স্বাধীনতা খর্বের অভিযোগও আনে তারা। এরপরেই টুইটারকে রীতিমত একহাত নেয় কেন্দ্র। জানান হয়, আইন না মানলে কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে সরকার।
ব্যুরো রিপোর্ট