Daily
শহর জুড়ে এখন বড়দিনের আমেজ। ধর্মতলা থেকে পার্কস্ট্রিট, রাস্তায় মানুষের ঢল আরও একবার প্রমাণ করলো বড়দিন নিয়ে শহরবাসীর উন্মাদনা চিরন্তন। আর সেই বড়দিন সেলিব্রেশনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হচ্ছে এই কেক। বড়দিনকে কেন্দ্র করে কেকের ব্যবসাও চলে রমরমিয়ে। শহরতলির এদিক ওদিক গজিয়ে উঠেছে প্রচুর অস্থায়ী কেকের দোকান। আর এই ছোট ছোট দোকান ব্যবসায়ীদের কেক তৈরি করে দিশা দেখাচ্ছে বিভিন্ন জেলার স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা।
জেলার কেক ব্যবসায়ীদের সাহায্য করতে এবার সেই একইরকম নজরকারা উদ্যোগ লক্ষ্য করা গেল মধ্যমগ্রাম পৌরসভার তরফেও। এগিয়ে এলেন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা। বড় বড় কোম্পানির বেকারি থেকে তৈরি হয়ে আসা কেকের পাশেই বিক্রি হচ্ছে তাদের তৈরি কেক। স্বাদেও নাকি বেশ ভালোই টেক্কা দিচ্ছে তাদেরকে। হবে নাই বা কেন বলুন? রীতিমত হাইজিন মেনটেন করে, সকল বয়সের মানুষ যাতে এই কেক খেতে পারেন, সেই বিষয়ে বিশেষ নজর রেখেছেন তারা। তাই পুরো কেকটাই তৈরি হচ্ছে খুব যত্ন করে।
স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের তৈরি কেক যাতে সহজে সকল মানুষের কাছে পৌঁছতে পারে, তার জন্য পাশে দাঁড়িয়েছে মধ্যমগ্রাম পৌরসভা। পৌরসভার সামনের অস্থায়ী সকান থেকেই বিক্রি হচ্ছে এই সুস্বাদু ক্রিস্টমাস কেক। ড্রাই কেক, ফ্রুট কেক, চকোলেট কেক- কি সেই তাদের লিস্টে! দামটাও রয়েছে অনান্য কেকের থেকে অনেকটাই কম। কিন্তু কোয়ালিটিতে এতটুকু কম্প্রোমাইজ করেন না তারা। আর পৌরসভার থেকে এতটা সাহায্য পেয়ে ভীষণ খুশি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা।
স্থানীয় মহিলাদের স্বনির্ভর করতে এবং আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে বছরভর কোন না কোন কাজের সঙ্গে যুক্ত রাখে মধ্যমগ্রাম পৌরসভা। বিভিন্ন মেলা থেকে শুরু করে অনান্য জায়গায় যাতে তাদের হাতে তৈরি প্রোডাক্ট বা সুস্বাদু খাবার পৌঁছে যায়, সেই বিষয়েও নজর রেখেছেন সরকারি কর্মকর্তারা।
স্থানীয় কেক ব্যবসায়ীদের সাহায্যও করার পাশাপাশি, মহিলাদের আয়ের দিশা দেখানোর এই উদ্যোগ সত্যি প্রশংসনীয়। আগামীদিনে এই ধরণের প্রচেষ্টা যে বেশ ভালোরকম প্রভাব ফেলবে, তা বলাই যায়।
বিক্রম লাহা
উত্তর ২৪ পরগণা