Market
বি পি এন ডেস্কঃ আশায় বাঁচে কারা? শুধু চাষিরা নয়, আমজনতাও। কিন্তু বর্তমানে যা পরিস্থিতি, তাতে আশার আগুন নিভতে বসেছে। বরং নিরাশার আগুনে ঘি ঢালছে কেন্দ্র। আর তারই আঁচে পুড়ছে বাজার থেকে হেঁশেল। পেট্রোল-ডিজেল নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি করে এখনও কোন সমাধানের রাস্তায় যেতে পারেনি মোদী সরকার। এদিকে তেলের দাম বাড়ায় হু হু করে চড়ছে খাদ্যপণ্যের মূল্য। ফলে বিপদরেখার ধারে এসে দাঁড়িয়েছে দেশের মূল্যবৃদ্ধি। খুচরো মূল্যবৃদ্ধি যেমন ইতিমধ্যেই ৫% বেড়েছে, তেমনই পাইকারি বাজারেও বৃদ্ধির হাওয়া। পাইকারি বাজারে মূল্যবৃদ্ধি হল ৪.১৭%, যা গত ২৭ মাসে সর্বোচ্চ। খাদ্যপণ্যেও মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে ১.৩৬ শতাংশে। তাই, সব্জি বাজার থেকে ফলের বাজার সবজায়গাতেই এখন দাম বৃদ্ধির একচেটিয়া দাপট।
এই বৃদ্ধি নিয়ে আগেই কেন্দ্রকে সতর্ক করেছিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। পেট্রোল-ডিজেলের দামে রাশ না ধরতে পারলে ফল ভুগতে হবে বিক্রেতা থেকে ক্রেতা প্রত্যেককেই। কিন্তু উদ্বেগ বার্তায় তেমন একটা পাত্তা দিতে দেখা গেল কই? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূল্যবৃদ্ধির হাত থেকে রেহাই পাবার একটাই রাস্তা। দাম কমাতে হবে পেট্রোল-ডিজেলের। তেলের খরচ যদি না কমে, তাহলে পরিবহণের খরচও কমবে না। আর পরিবহণের খরচ না কমলে পাইকারি বাজারের মূল্যবৃদ্ধিতেও পড়বে না দাঁড়ি। যা অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়াবার পক্ষে একটা কাঁটা হয়ে উঠবে।
তাই একটা প্রশ্ন বারবার উঠে আসছে। কেন্দ্র এবং রাজ্য তেলশুল্ক থেকে একটা মোটা অঙ্ক রাজকোষে ভরে। সেখানে সাধারণ মানুষকে রেহাই দিতে দুই সরকারই শুল্কের পরিমাণ কমাতে পারে। তাই কেন্দ্র এবং রাজ্য যদি এক ছাতার তলায় এসে তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে রাশ টানতে পারে, তাহলেই আগুন নিভতে পারে বাজার থেকে আমআদমির হেঁশেলে।।
ব্যুরো রিপোর্ট, বিজনেস প্রাইম নিউজ