Daily
বাসে, মিনিবাসে ওঠা যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বাড়তে চলেছে। দুই দফার ভোট এখনো বাকি। আর নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে এবার শহর কলকাতা থেকে উঠতে চলেছে বহু বাস, মিনিবাস। ফলে আগামী দু’সপ্তাহ নিত্যযাত্রীদের কপালে বাস ভোগান্তি ভালোই রয়েছে। এমনই আশঙ্কার কথা জানিয়েছে বাসমালিকদের সংগঠনগুলো। উল্লেখ্য যেটা, সেটা এখানেই জানিয়ে রাখি। আসছে শনিবার লোকসভা নির্বাচন হবে পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায়। আর শেষ দফা মানে সপ্তম দফায় ভোট হবে কলকাতা আর দুই ২৪ পরগনায়। যা জানা যাচ্ছে, আগামী ২৭ এবং ২৮ তারিখ শহর এবং শহরতলির ৯০% বাস তুলে নেওয়া হবে।
শুধু নির্বাচন কমিশন বলে নয়, লালবাজার, লোকাল পুলিশ স্টেশন বাস নিচ্ছে। ফলে আগামী দু সপ্তাহ বাসের সংখ্যা তুলনামূলক অনেকটাই কম মিলবে রাস্তায়। কিছু বাস মালিকরা জানাচ্ছেন যে, ৯০% বাস তুলে নেওয়া হলে যাত্রী ভোগান্তি চরমে পৌঁছতে পারে। এদিকে ১ জুন শেষ দফার নির্বাচন। কিন্তু নির্বাচন শেষ হয়ে গেলেই কি সব বাস নামিয়ে দেওয়া হবে রাস্তায়? একেবারেই না। ৪ জুন ভোটগণনা। অর্থাৎ ৪ জুন পর্যন্ত বাসের আকাল দেখা যাবে শহর জুড়ে। কারণ ভোট গণনার জন্য যে বড় অঙ্কের ভোটকর্মীদের পরিবহনের দিকটা সুনিশ্চিত করতে হবে। আর সেদিকটা বজায় রাখতে গেলে নির্বাচন কমিশনকে ভরসা রাখতে হবে বাসের উপরেই। বাসমালিক সংগঠনের পক্ষ থেকে নাকি বলা হয়েছিল যে, অন্তত ৫০% বাস তুলে নেওয়া হোক। বাকি ৫০% বাসের চাকা যাত্রীদের জন্য শহরের বুকে ঘুরুক। কিন্তু ভোটের কাজে যে বিপুল পরিমাণ যানবাহনের প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে এতো বাসের জোগান দেওয়া কার্যত অসম্ভব। অতএব বিকল্প বলতে বেসরকারি বাস, মিনিবাস। তাহলে করণীয় কী? কিছুই না। নির্বাচনের ফলাফল বেরনো না পর্যন্ত ভোগান্তি মিটবে বলে মনে হচ্ছে না।
বিজনেস প্রাইম নিউজ
জীবন হোক অর্থবহ