Daily
ঢাকে কাঠি পড়তেই রাজ্যজুড়ে শুরু হয়ে গেল ভোটের তোড়জোড়। প্রশাসনে সাজসাজ রব। দলগুলির যুদ্ধকালীন সভা সমাবেশ। বেশ সরগরম বাংলার ভোটের বাজার। রাজ্য স্বরাষ্ট্র দফতরের হিসেব, ভোটে রাজ্যের তহবিল থেকে খরচ হতে চলেছে প্রায় ১২৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ভোট বাবদ ৫৫০ কোটি আর বাহিনী সামলাতে ৭০০ কোটি টাকা। মেগা বাজেটের এই ভোটেই রাজ্যবাসী দেখতে চলেছে এবারের মেগাফাইট।
আট দফার ভোট ঘিরে ইতিমধ্যেই শাসক বিরোধী তরজা বেশ জমে উঠেছে। শাসক শিবিরের মুখ, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যথারীতি কমিশনের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন। অন্যদিকে, বিরোধী শিবিরের পক্ষ থেকে কমিশনের এই পদক্ষেপে মিলেছে সমর্থনের শিলমোহর। কমিশন আটঘাট বেঁধেই এবারের ভোটকে আট দফায় শেষ করতে চাইছে। আচরণবিধি চালু হতে না হতেই রাজ্যে আসছেন বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক। তৈরি থাকছে দুটি হেলিকপ্টার। আবারও রদবদল হতে চলেছে পুলিশ প্রশাসনে। দিন ঘোষণার চব্বিশ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসছে ছোটবড় বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের মত ঘটনা।
এবারের নির্বাচনে রাজ্যে, কমিশন বিহার মডেলকেই অনুসরণ করতে চাইছে। রয়েছে করোনার জন্য বয়স্কদের বাড়িতে বসেই পোস্টাল ব্যালটে ভোটদান। থাকছে প্রত্যেক ভোটদাতার জন্য পৃথক দস্তানার ব্যবস্থাও। কড়া নজর থাকবে ভোটের খরচার ওপর। জেলায় জেলায় পৌঁছে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। শুরু হয়েছে রুটমার্চ।
রাজ্যে বিগত নির্বাচনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এবারের ভোটকে বিহারের মত রক্তপাতহীন করাটাই কমিশনের পাখির চোখ। গণতন্ত্রের মেগা ইভেন্টকে কিভাবে সিমলেস করবে কমিশন? সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন রাজ্যের সাত কোটি ভোটার।
ব্যুরো রিপোর্ট, বিজনেস প্রাইম নিউজ