Daily
বি পি এন ডেস্ক : রাজ্যে নির্বাচন ঘোষণা হতেই সলতে পাকানোর কাজে ব্যস্ত রাজনৈতিক দলগুলো। অভিযোগ আর পাল্টা অভিযোগের বন্যা বইছে রাজ্য জুড়ে। বাম-গেরুয়া থেকে শাসক তৃণমূল, পিছিয়ে নেই কেউই। শাসক শিবির আজই প্রকাশ্যে আনতে পারেন তাদের প্রার্থী তালিকা। দিল্লিতে বিজেপিও তাদের প্রথম পর্যায় তালিকায় দিতে চলেছে শিলমোহর। বাম কংগ্রেসও মরিয়া জোটের প্রাণ আব্বাসকে তুষ্ট করে তাড়াতাড়ি ময়দানে নামতে। সব মিলিয়ে রাজ্যে রাজনীতির ময়দানে এখন চলছে রেসের মাঠের উত্তেজনা।
রাজ্যে এবারের নির্বাচন হাই ভোল্টেজ। বিরোধী বিজেপি একরকম মরিয়া রাজ্য থেকে তৃণমূলকে উৎখাত করতে। অন্যদিকে, ঘাসফুল শিবিরে, এবারের নির্বাচন অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। যুযুধান দুই শিবিরের লড়াই যখন সপ্তমে তখন সবচেয়ে বড় চমক আব্বাসের আইএসএফের আত্মপ্রকাশ। পর্যবেক্ষকদের অনেকেই একে বামেদের মাস্টারস্ট্রোক বলছেন। আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে থাবা বসাতে চলেছেন আব্বাস। যদিও গেরুয়া শিবিরের বক্তব্য আব্বাস যতবেশি সংখ্যালঘু ভোটে থাবা বসাতে পারবে, ততবেশি রাজ্যে পদ্ম ফুটবে। মুখে না বললেও ঘরোয়া আলোচনায় আব্বাসকে নিয়ে বেশ চাপেই রয়েছে ঘাসফুল শিবির।
বিধানসভা ভোটের মুখে ধর্মগুরু থেকে শুরু করে সরাসরি রাজনীতির ময়দানে আব্বাসের ল্যান্ডিংকে যথারীতি বাম দলগুলির নিচু তোলার সমর্থকদের অনেকেই ভালো চোখে দেখছেন না। এমন কি কংগ্রেসের গোঁড়া সমর্থকদের মধ্যে, আব্বাস পর্ব কংগ্রেসের ধর্ম নিরপেক্ষ ইমেজের সঙ্গে বড়ই বেমানান। বাম কংগ্রেস ছাতায় আশ্রয় নেওয়া আব্বাসকে ঢাল করেই দুই দলের ধর্মনিরপেক্ষতার ইমেজকেও খোঁচা মারতে ছাড়ে নি বিজেপি ও তৃণমূল।
হাই ভোল্টেজ এই নির্বাচনে সবদিক থেকে বিচার করে গত লোকসভা ভোটের মত এবারেও ক্রস ভোটিংএর সম্ভাবনাকে একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা। তবে ভোটারদের আচরন কি হবে তা কেউই জানেন না। জানতে অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছুদিন।