Market
কৃষকদেরকেই এবার অনুসরণ করতে চাইছে ব্যাঙ্ককর্মীরা। বড়সড় আন্দোলনের পথে নামতে চলেছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের কর্মী এবং অফিসারদের ইউনিয়নগুলি। কারণ হিসেবে উঠে এসেছে ব্যাঙ্কের বেসরকারিকরণ। আগামী ১৫ এবং ১৬ মার্চ দেশ জুড়ে ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে ইউনাইটেড ফোরাম অব ব্যাঙ্ক ইউনিয়ন্স। তাদের দাবি, বেসরকারি সংস্থার হাতে ব্যাঙ্কের ভবিষ্যৎ বিক্রি করা যাবে না। মোদি সরকার দেশের সরকারি ব্যাঙ্কগুলিকে বিক্রি করে দেবার জন্য যখন মাঠে ময়দানে নেমে পড়েছে, তখন ব্যাঙ্ক কর্মীদের এই হুমকি কেন্দ্রীয় সরকারের ঘাড়েই নিশ্বাস ফেলছে। তাঁদের দাবি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলি বেচে দিলে কার্যত অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে পড়তে পারে কর্মী সহ সকল গ্রাহকেরা। তাই মোদি সরকার ব্যাঙ্ক বিক্রির চেষ্টা বন্ধ না করলে আরও বড় আন্দোলনের পথে হাঁটতে পারে বলে জানিয়েছে অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক অফিসার্স কনফেডারেশন এবং অল ইন্ডিয়া স্টেট ব্যাঙ্ক অফিসার্স ফেডারেশন।
তাঁদের দাবি
১। ব্যাঙ্কের বেসরকারিকরণ হতে দেওয়া যাবে না
২। বাজেটে অর্থমন্ত্রীর ব্যাঙ্ক বেচে দেওয়ার প্রতিবাদেই মার্চের ১৫ এবং ১৬ তারিখ ধর্মঘট
৩। সরকার উপেক্ষা করলে ধর্মঘট হবে দফায় দফায়
৪। না হলে লাগাতার ধর্মঘটে যেতে পারেন ব্যাঙ্ক কর্মীরা
৫। চাওয়া হবে গ্রাহক এবং অন্যান্য কর্মীদের সহযোগিতা
২০০৬ সালে পেনশন বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে টানা সাত দিন ধর্মঘটের পথে হেঁটেছিল স্টেট ব্যাঙ্ক। এবারে আন্দোলনের সময় এবং সীমা দুই বাড়াতে চলেছেন কর্মীরা। ঝড়-জল উপেক্ষা করে তাঁদের এই বৃহত্তর আন্দোলনে সাহস জোগাচ্ছেন সিংঘু বর্ডারে বসে থাকা কৃষকেরা। ব্যাঙ্ক ধর্মঘট জানালে দেশের অর্থনীতির চাকা নিশ্চল হয়ে পড়বে। তখন এই হুমকির সাড়া কিভাবে দেবে কেন্দ্রীয় সরকার?
ব্যুরো রিপোর্ট, বিজনেস প্রাইম নিউজ