Market
পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি হলে সেই আঁচ এসে পড়ে সাধারণ মানুষের উপরে। এক-দু’টাকা করে দাম বাড়লেই নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে শুরু করে দেয়। আমজনতার কপালে পড়ে চিন্তার ভাঁজ। কিন্তু এবার আর এক-দু’টাকা নয়। বরং এক ধাক্কায় ৩০-৪০ টাকা দাম বাড়ানোর পথে হাঁটল বাংলাদেশ সরকার। যা কার্যত ভালোরকম সমস্যায় ফেলে দিল বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকে। এমনটাই মনে করছেন দেশের আর্থিক বিশেষজ্ঞরা।
বাংলাদেশে লিটার প্রতি পেট্রোলের দাম বাড়ানো হয়েছে ৪৪ টাকা। এক ধাক্কায় এতটা দাম বাড়ানোর ফলে বাংলাদেশে পেট্রোলের দাম লিটার পিছু দাঁড়াল ১৩০ টাকায়। এছাড়া ডিজেলের দাম বাড়ানো হয়েছে ৩৪ টাকা। অকটেনের মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে ৪৬ টাকা মতন। স্বাভাবিকভাবেই, পেট্রোপণ্যের এমন আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধির পথে কেন হাঁটল হাসিনা সরকার?
জানা গিয়েছে, বিগত ছয় মাসে ন্যায্য মূল্য স্থির রেখে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন বা বিপিসি ভালোরকম ক্ষতির মুখে পড়ে। লোকসানের অঙ্কটা পৌঁছে যায় ৮ হাজার ১৪ কোটি টাকায়। এদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্ব বাজারে পেট্রো পণ্যের দাম নিয়ে অস্থিরতা রয়েছেই। আমদানির উপরেও পড়তে পারে সেই প্রভাব। আর যে কারণে, আমদানির রাস্তাটা মসৃণ রাখতে বেশি দামে জ্বালানি বিক্রির পথে হাঁটতে হচ্ছে বাংলাদেশ সরকারকে। জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত ১২টার পর থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। আর এক ধাক্কায় এতোটা দাম বাড়ার কারণে ভালোরকম সমস্যার মুখোমুখি পড়তে চলেছেন বাংলাদেশবাসী। কারণ পেট্রোপণ্যের দাম এভাবে হাইজাম্প দেওয়ার কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য থেকে সবকিছুরই মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে। এর আগে গেল নভেম্বরেই ডিজেল এবং কেরোসিনের দাম ১৫ টাকা করে বাড়িয়েছিল হাসিনা সরকার। তবে হ্যাঁ, সরকারের তরফ থেকে এই আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে যে, ভবিষ্যতে সব স্বাভাবিক হয়ে গেলে, পেট্রোপণ্যের দাম ফের কমাতে পারে হাসিনা সরকার।
বিজনেস প্রাইম নিউজ
জীবন হোক অর্থবহ