Story
কালী পুজো মানেই জবা ফুল। তবে, প্রতিবছর যেভাবে পুজোর সংখ্যা বাড়ছে, সেখানে হাজার হাজার প্রতিমাকে জবার মালা পড়াতে হলে প্রয়োজন লক্ষ লক্ষ জবা ফুল। কিন্তু এ রাজ্যে যে পরিমাণে গাঁদা ফুলের চাষ হয়, সে পরিমাণে তো জবা ফুলের চাষ হয় না। সুতরাং পুজোর সময় জবার মালার চাহিদায় ঘাটতি পরে।
আসল জবায় টান! তাই সেই অভাব পূরণ করছে কৃত্রিম জবা। কোথাও কাপড়, কোথাও প্লাস্টিকের জবা ফুল বিক্রি হচ্ছে। এই সময় বাজারে গেলেই নজরে আসছে সেই কৃত্রিম জবার দাপট। বিশেষ করে দশকর্মার দোকানগুলোতে। তাছাড়াও, এই কালিপুজোর সময়টুকুতে কৃত্রিম জবা ফুলের মালা বিক্রি করবেন বলেও অনেকে অস্থায়ী দোকান সাজান।
শ্যামা পুজোর আগে এখন কৃত্রিম জবার মালার প্রস্তুতি তুঙ্গে রায়গঞ্জের সুভাষগঞ্জ সহ আশেপাশের অঞ্চলে। হাজার হাজার জবার মালা তৈরি করে চলেছেন এখানকার প্রতিটি পরিবারের সদস্যরা। যদিও মহিলা কারিগরদের সংখ্যাই বেশি। দিনে তিন থেকে চার ডজন মালা বানান তারা।
কৃত্রিম জবার এই মালা একদিকে যেমন আসল জবার ঘাটতি মেটাচ্ছে, তেমনই এই মালা তৈরি করে দুটো বাড়তি রোজগার হচ্ছে রায়গঞ্জের বেশ কিছু পরিবারের। এককথায়, বাজারে জবার অভাব রোজকার বাড়াচ্ছে এই শিল্পীদের।
অনুপ জয়সয়াল
উত্তর দিনাজপুর