Trending

অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান। ১২ জুলাই ওয়ার্ল্ড জিও সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল অনন্ত অম্বানি ও রাধিকার grand wedding. ১৩ জুলাই ছিল এই নব দম্পতির আশীর্বাদ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে বহু আধ্যাত্মিক গুরু, হলিউড, বলিউডের নামীদামী সেলিব্রিটিরা উপস্থিত হয়েছিলেন এই বিয়ের সাক্ষী হতে। প্রত্যেকেই নিজ নিজ পোশাক ও ব্যক্তিত্বের মাধ্যমে একে অন্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে কোনো ত্রুটি রাখেন নি। সে যেন এক চাঁদের হাট। আর এই চাঁদের হাটেই যখন অম্বানি পরিবারের ছোটো পুত্রবধূ রাধিকা মার্চেন্ট রাজকীয়ভাবে প্রবেশ করলেন সকলের চোখ আটকে গেছিল তার ওপরেই।
শুধু যে অনুষ্ঠানের পরিবেশ রাজকীয় ছিল তাই নয় নববধূ ওইদিন যে বিশেষ লেহেঙ্গাটি পরেছিলেন তাতেও ছিল এক রাজকীয়তার ছাপ। এই রাজকীয় লেহেঙ্গা পরেই আশীর্বাদ নিতে বসেছিলেন আম্বানি বাড়ির ছোটো বৌ রাধিকা। আর মুহূর্তের মধ্যে এই লেহেঙ্গার ছবি ছড়িয়ে পরে চারিদিকে। আবু জানি-সন্দীপ খোসলার এই লেহেঙ্গা তৈরিতে সাহায্য করেছেন বাঙালি শিল্পী ও ভাস্কর জয়শ্রী বর্মণ,কলকাতায় জন্ম, কলকাতাতেই বড় হয়ে ওঠা।
এই লেহেঙ্গায় আঁকা রয়েছে অনন্ত-রাধিকার প্রেমের কাহিনী। আর জয়শ্রী সেই গল্পই একা হাতে চিত্রিত করেছেন লেহেঙ্গাটির ওপর। শিল্পী এই লেহেঙ্গার নাম দিয়েছেন ‘পরিণয়”,মানে বিবাহ। ভীষণভাবেই তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি জানিয়েছেন যে ইটালিয়ান ক্যানভাসে আঁকা হয়েছে রাধিকার এই লেহেঙ্গা। হাতে এঁকে এঁকে মোট ১২ টি প্লেট তৈরি করে সেগুলোকে সেলাই করে জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এই পোশাকটি তৈরি করতে তাঁর হাতে ছিল মাত্র এক মাস। তাই দিনে ১২-১৪ ঘন্টাও কাজ করতে হয়েছে শিল্পীকে। তবে শিল্পী জানিয়েছেন যে তিনি তার শিল্পকর্মের যোগ্য সম্মানও পেয়েছেন। আসলে শিল্পী নিজের কাজের ব্যাপারে বেশ নিশ্চিত। তাঁর কথায়, তাঁর শিল্পকে ক্যানভাসে তুলে ধরতে তাঁকে কখনোই আগে থেকে প্রস্তুত হতে হয় না। তিনি ক্যানভাসে রং করা শুরু করেন তারপর স্বয়ংক্রিয় ভাবেই শিল্পকর্মটি তৈরি হয়। এক্ষেত্রেও তার ব্যাতিক্রম হয় নি।
শিল্পীর হাতের মিনিয়েচার চিত্র আঁকা লেহেঙ্গায় রাধিকার ছবি যে নজর কেড়েছে সারা বিশ্বের তা বলাই বাহুল্য।
বিজনেস প্রাইম নিউজ
জীবন হোক অর্থবহ অর্থবহ